কন্ডুইট ওয়্যারিং - সারফেস ওয়্যারিং - কনসিল্ড ওয়্যারিং - কন্ডুইট ওয়্যারিং কত প্রকার
কন্ডুইট ওয়্যারিং - সারফেস ওয়্যারিং - কনসিল্ড ওয়্যারিং - কন্ডুইট ওয়্যারিং কত প্রকার
কন্তুুইট ওয়্যারিং
রুহুইট ওয়্যারিং যখন কোনো জায়গায় দেয়ালের উপর দিয়ে বা দেয়ালের ভিতর দিয়ে কণ্ডুইট স্থাপন করে ওয়্যারিং করা হয়, তখন ঐ ওয়্যারিংকে কড়ুইট ওয়্যারিং বলে। পরিবাহী তারকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য কন্তুইট পাইপের মধ্য দিয়ে টেনে নিয়ে এই ওয়্যারিং করা হয়। এ কাজে ব্যবহৃত কন্তুইট ইলেকট্রিক্যাল এবং মেকানিক্যাল আঘাত হতে ওয়্যারিংকে রক্ষা করে। যে সব জায়গায় খোলা পিভিসি ভারে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে, স্যাঁতস্যাতে, দাহ্য পদার্থ থাকে সে সব স্থানে এ ওয়্যারিং করা হয়। কড়ুইট হিসেবে সাধারণত জিআই বা পিভিসি পাইপ ব্যবহৃত হয়।কন্ডুইটের শ্রেণিবিভাগ:
কভুইট যে পদার্থের তৈরি, এর গঠন আকৃতি বা ব্যাস (সাইজ) ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে কভুইটের শ্রেণিবিভাগ করা হয়। বাজারে সাধারণত ৩ মিটার ও ৬ মিটার লম্বা বিভিন্ন সাইজের কভুইট পাইপ পাওয়া যায়। কড়ুইট প্রধানত দু প্রকার। যথা(১) ধাতুর তৈরি কম্ভুইট এবং
(২) অধাতুর তৈরি কঙুইট।
১। ধাতুর তৈরি কছুইট:
ধাতুর তৈরি কড়ুইট সলিড ড্রেন অথবা স্টিলের চাদর লম্বালম্বিভাবে ঝালাই করে তৈরি করা হয়।
ধাতুর তৈরি কভুইট প্রাথমিকভাবে দু রকমের।
(ক) সাধারণ কন্তুইট ও
(খ) ফেক্সিবল কভুইট। গুণগত মানের উপর ভিত্তি করে গ্রেড অনুযায়ী কটূইঁট দু ধরনের হয়ে থাকে।
(ক) 'এ' গ্রেড বা হালকা গেজের স্টিল কভুইট।
(খ) 'বি' গ্রেড বা পুরু গেজের স্টিল কভুইট। এটি সাধারণত গ্যালভানাইজ করা বা কালো এনামেলের আবরণে আবৃত থাকে
২. অধাতুর তৈরি কন্ডুইট:
অধাতুর তৈরি কন্ডুইট দুই প্রকার।(ক) পিভিসি সাধারণ কভুইট, ফ্লেক্সিবল কভুইট।
(খ) পিভিসি
(ক) অধাতুর তৈরি কভুইট সাধারণত পিভিসি কম্পাইন্ড-এর হয়ে থাকে। ধাতুর কম্ভুইটের ন্যায় অনুরূপ বিভিন্ন সাইজের পাওয়া যায়।
(খ) ফ্লেক্সিবল কভুইট গ্যালভানাইজ করা স্টিলের চাদর একটি প্যাচের উপর আরেকটি প্যাঁচ বা কুণ্ডলী আকারে পাকানো পাইপ। অনেক সময় স্টিলের ফ্লেক্সিবল কন্ডুইটের বহিঃপৃষ্ঠে পিভিপি এর আবরণ দিয়ে ইনসুলেশন করা হয়। ফ্লেক্সিবল কভুইট পিসিপি কম্পাউন্ডেরও হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজারে অধাতুর তৈরি তিন ধরনের কড়ুইট বর্তমান সময়ে উন্নত মানের পিভিসি কভুইট পাওয়া যায়।
কন্ডুইট ওয়্যারিং-এর শ্রেণিবিভাগ:
ব্যবহৃত কভুইটের ধরন এবং কন্তুইট ব্যবহারের স্থান অনুসারে কভুইট ওয়্যারিং-এর শ্রেণিবিভাগ করা হয়। । কভুইট ওয়্যারিংকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা১. সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং,
২. কনসিল্ড কন্ডুইট ওয়্যারিং,
৩. ফ্লেক্সিবল কন্ডুইট ওয়্যারিং।
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং :
যে কভুইট ওয়্যারিং যান্ত্রিক আঘাত থেকে রক্ষার জন্য দেয়ালের বহিঃপৃষ্ঠে করা হয় তাকে সারফেস কন্তুইট ওয়্যারিং বলে। এক্ষেত্রে দেয়ালের বহিঃপৃষ্ঠে বা ছাদের বহিঃপৃষ্ঠে পাইপ হুক বা স্যাডল এর সাহায্য কহুইট পাইপ বসিয়ে এদের ভিতর দিয়ে বৈদ্যুতিক ক্যাবল বা ইনসুলেটেড তার স্থাপন করে ওয়্যারিং করা হয়।কন্ডুইট ওয়্যারিং - সারফেস ওয়্যারিং - কনসিল্ড ওয়্যারিং - কন্ডুইট ওয়্যারিং কত প্রকার
কনুসিন্ড কন্ডুইট ওয়্যারিং :
যে কভুইট ওয়্যারিং যান্ত্রিক আঘাত থেকে রক্ষার জন্য দেয়াল, মেঝে কিংবা ছাদের ভিতরে সম্পূর্ণ লুকায়িত অবস্থায় থাকে তাকে কনুসিন্ড কন্তুইট ওয়্যারিং বলে। এই ওয়্যারিং এ সুইচ বোর্ড, জাংশন বক্স এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ছাড়া কোনো ওয়্যারিং বা লাইন দেখা যায় না।ফ্লেক্সিবল কন্ডুইট ওয়্যারিং :
সাধারণত শিল্পকারখানায় মেশিনপত্রের সাথে সংযোগ দেওয়ার জন্য ট্রাংকিং বা সংশ্লিষ্ট মেশিনের মোটরের স্টার্টার কিংবা কন্ট্রোল বোর্ড থেকে নিরাপদভাবে ভারকে মোটরের টার্মিনাল বক্সে আনার জন্য ফ্লেক্সিবল কন্ডুইট ওয়্যারিং বলা হয়। এখানে তারকে ফ্লেক্সিবল ক্যুইটের ভিতর দিয়ে মোটরে সংযোগ করা হয়।কন্ডুইট বাঁকানো পদ্ধতি :
সারফেস বা কনসিন্ড কভুইট ওয়্যারিং করতে হলে সকল কভুইট সোজাভাবে স্থাপন করে লাইন টানা সম্ভব নয়। তাই কন্তুইট টানতে ওয়্যারিং-এর প্রয়োজনে লাইন বাঁকা করতে হয়। বিল্ডিং-এর রুমের প্রয়োজন অনুযায়ী কখনও কলুইটকে বাঁকাতে হয়। আর এ বাঁকানো বা বেন্ড ৯০ ডিগ্রির বেশি করা হয় না। ৯০° বেশি বেন্ড করলে ক্যাবল টানার সময় এতে ক্যাবল লেগে যেতে পারে এবং ক্যাবলের ইনসুলেশন নষ্ট হয়ে শর্ট সার্কিটের কারণ হতে পারে। তাই কন্তুইট বাঁকানোর সময় এমন কতগুলো পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়, যাতে সঠিক মাপের বেন্ড তৈরি করা যায়। ২২.৭ নং চিত্রে কড়ুইট বেন্ড করা বা বাঁকানোর নমুনা দেখানো হলো। কন্তুইট বেন্ডের ব্যাসার্ধr কভুইটের বাইরের ব্যাস d এর কমপক্ষে পাঁচগুণ হওয়া উচিত। অর্থাৎ"r = 5xd" সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে কন্তুইট বেন্ড প্রস্তুত করা যায়। যথা
১. বেডিং মেশিনের সাহায্যে।
২. শক্ত পিভিসি ব্লকের সাহায্যে।
৩. শুকনা বালি ও রো ল্যাম্প এর সাহায্যে।
১. বেডিং মেশিনের সাহায্যে বেডিং মেশিনের সাহায্যে কভুইট বেন্ড তৈরি করা যায়। বিভিন্ন সাইজের কড়ুইটের জন্য বিভিন্ন সাইজের বেন্ডিং ব্লক ব্যবহার করে কন্তুইট বেন্ড তৈরি করা যায়। প্রথমে কম্ভুইটকে মেশিনের ফরমাতে সাজিয়ে স্টপবার-এর মাধ্যমে আটকিয়ে হ্যান্ডেলকে ধরে আস্তে আস্তে নিচের দিকে চাপ দেয়া হবে, কণ্ডুইটের বেড ততটুকু ডিগ্রিতে পরিণত হবে। তবে এর ডিগ্রি নির্ভর করে বেন্ডকারকের উপর।
অন্য পোষ্ট : বৈদ্যুতিক তার - ফ্লেক্সিবল তার - তারের কারেন্ট বহন ক্ষমতা
কন্ডুইট ওয়্যারিং - সারফেস ওয়্যারিং - কনসিল্ড ওয়্যারিং - কন্ডুইট ওয়্যারিং কত প্রকার
২। শক্ত পিভিসি ব্লকের সাহায্যে কভুইট বেন্ড করার পদ্ধতি :
শক্ত পিভিসি ব্লকের সাহায্যে কন্তুইট বেন্ড তৈরি করা যায় । আনুমানিক ১২ মি. ×১৫ সে.মি. ×৫ সে.মি বিশিষ্ট একটি পিভিসি শক্ত ব্লক সংগ্রহ করতে হবে। উক্ত ব্লকের দৈর্ঘ্যের আনুমানিক দুই-তৃতীয়াংশে একটি ছিদ্র করতে হবে। ছিদ্রটি কন্তুইটের ছিদ্রের ব্যাসের চেয়ে অন্ততপক্ষে ৩ মি.মি. বড় থাকতে হবে এবং ট্রান্সফার করতে হবে। তারপর স্প্রিংসহ বেন্ডের স্থান ব্লকের ছিদ্রের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে ব্লকটি খাড়াভাবে মাটির উপর রেখে আস্তে আস্তে কড়ুইটের এক মাথায় চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে প্রয়োজনমতো বেন্ড প্রস্তুত করা হয়। বেডের বিকৃতি এড়ানোর জন্য স্প্রিং ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে কড়ুইট বেল্ড তৈরি করতে চিত্র অনুযায়ী গ্যালভানাইজড আয়রনের বেল্ডিং টুলস ব্যবহার করা যায়। বেন্ডিং স্প্রিং ভিতরে ব্যবহার করে অল্প তাপ প্রয়োগের পিভিসি কন্তুইট হাতের উপর প্রয়োজন অনুসারে বাঁকানো যায়।
৩। গুরুনা বালি ও রো ল্যাম্পের সাহায্যে কম্ভুইট বেন্ড কারা পদ্ধতি :
কড়ুইট বেন্ড করার জন্য উপরে উল্লেখিত দুটি পদ্ধতির কোনোটির যদি সরঞ্জাম না পাওয়া যায়, তবে শুকনা বালি ও রো ল্যাম্পের সাহায্যে অর্থাৎ তাপ প্রয়োগের সাহায্যে কন্তুইট বেন্ড করা যায়।
এই কাজের জন্য প্রয়োজন একটি ব্রো ল্যাম্প ও প্রয়োজনমতো শুকনা বালি। কড়ুইটের যে স্থান বেন্ড করতে হবে সে স্থান চিহ্নিত করে বালিগুলো কভুইট পাইপের মধ্যে ঢুকাতে হবে। তারপর ব্লো-ল্যাম্পের দ্বারা উক্ত স্থানে তাপ প্রয়োগ করতে হবে এবং একই সাথে আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে প্রয়োজনমতো পাইপকে বাঁকাতে হবে। এ পদ্ধতিতে উভয় পাইপ বেন্ড করা যায়। তবে বালি ভর্তি চিহ্নিত স্থানে খুব সামান্য তাপেই পিভিসি পাইপকে নমনীয় করা যায়।
কন্ডুইট ওয়্যারিং - সারফেস ওয়্যারিং - কনসিল্ড ওয়্যারিং - কন্ডুইট ওয়্যারিং কত প্রকার
কন্ডইট এর মধ্য দিয়ে তার টানার পদ্ধতি :
কনসিন্ড ও সারফেস কছুইট ওয়্যারিং করতে দেয়াল বা ছাদে পাইপ বসানো সময় ফিস ওয়্যারের সাহায্যে জি.আই বা ড্র–ইন তার ঢুকিয়ে রাখতে হয়। কোনো কোনো সময় জি.আই তার সরাসরি কম্ভুইটের মধ্যে ঢুকানো যায়। দেয়াল বা ছাদে বা যে কোনো স্থাপনায় কন্তুইটের সোজা অংশ বসিয়ে ফিস ওয়্যার ঢুকাতে হয়। যে স্থানে বক্স বা বেন্ড বসাতে হবে সে স্থানে ঐ অল্প অংশটুকু খুব সহজেই জিআই তার ঢুকানো যাবে। জিআই তারের সাহায্য না নিয়ে ফিস টেপের সাহায্যে বা অন্যভাবে কন্ডুইটের মধ্যদিয়ে তার টানলে এটি সহজে নষ্ট হতে পারে। নিচের চিত্রে পদ্ধতিটি দেখানো হয়েছে।কছুইটের তারের সংখ্যা ও সাইজ অনুযায়ী কম্ভুইট নির্বাচন বিভিন্ন গ্রেডর ভার বিভিন্ন সাইজের কভুইটের মধ্যে কয়টা নেয়া যেতে পারে, তা নির্ভর করে তারের সংখ্যা এবং তার টানার সুবিধার উপর। ২৫০/৪৪০ ভোল্ট এবং ৬৬০/১১০০ ভোল্ট গ্রেডের ভিআইআর ব্রেইডেড ও কম্পাউন্টেন্ড এবং পিভিসি ক্যাবলের জন্য প্রযোজ্য তারের কণ্ডুইটের তালিকা নিচে দেয়া হলো। কভুইটের মধ্যে দিয়া টানা তারের সংখ্যা নির্ণরে নিচের দুটি তালিকায় বর্ণিত নিয়ম প্রয়োগ করতে হয়। তারের সাইজ ও সংকেত নম্বর তালিকা দেয়া হলো।
উদাহরণ : নিচে বর্ণিত ২৫০ V/৪৪০ V গ্রেডের তারগুলোর জন সঠিক কন্ডুইটের সাইজ নির্ণয় কর।
২টি ৩/০.০২৯ পিভিপি ইনসুলেটেড তার,
৪টি ৭/০.০৩৬ পিভিপি ইনসুলেটেড তার,
৪টি ৭/০.০৫২ পিডিপি ইনসুলেটেড তার এবং ২টি ৩/০.০৩৬ পিভিপি ইনসুলেটেড তার
সমাধান : তালিকা-১ হতে ৩/০.০২৯ এর সংকেত নং ৬৩, অতএব মোট সংকেত ২×৬৩ = ১২৬
ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কস-২ ৭/০.০৩৬ এর সংকেত নং ১২২, অতএব মোট সংকেত ৪× ১২২ = ৪৮৮
৭/০.০৫২ এর সংকেত নং ১৯৫, অতএব মোট সংকেত ৪ × ১৯৫ = ৭৮০ ৩/০.০৩৬ এর সংকেত নং ৮০, অতএব মোট সংকেড ৪ × ৮০ = ৩২০
মোট সংকেত =১৭১৪
এবার তালিকা-২ হতে দেখা যায় সংকেত নং ১৪০১ হতে ২০০০ এর মধ্যে ১৭১৪ সংকেত নম্বরটি আছে। সুতরাং প্রয়োজনীয় কম্ভুইটের সাইজ ১ ইঞ্চি বা ৩৭.৫ মি.মি.।
ফছুইট ওয়্যারিং-এ ব্যবহৃত ফিটিংস-এর তালিকা কভুইট ওয়্যারিং কাজ যে সকল ফিটিংস ব্যবহৃত হয় এগুলোর নাম নিচে দেয়া হলো
অন্য পোষ্ট : নাইফ সুইচ - তারের জয়েন্ট কত প্রকার - টিউব লাইট - টিউব লাইট মানে কি
১. ভুইট বক্স :
আকৃতি অনুযায়ী কভুইট বিভিন্ন বক্সের নাম ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন-এন্ড বক্স, থ্রো-বক্স, থ্রি-ওয়ে বক্স, ফোর-ওয়ে বক্স আয়তকার বক্স, গোলাকার বক্স ইত্যাদি। নিচে কয়েকটি ফিটিংস এর চিত্র দেওয়া হলো- চিত্র ২২.১২(ক) ফোর-ওয়ে সার্কুলার বক্স,
(খ) থ্রি-ওয়ে সারকুলার বক্স,
(গ) টু-ওয়ে সার্কুলার বক্স,
(গ) সিঙ্গেল ওয়ে সার্কুলার বক্স দেখানো হলো
(ক) ফোর-ওয়ে সার্কুলার বক্স,
(খ) থ্রি-ওয়ে সার্কুলার বক্স,
(গ) টু-ওয়ে সার্কুলার বক্স,
(ঘ) ওয়ান-ওয়ে সার্কুলার বক্স।
২. ইন্সপেকশন বেড বেন্ড প্রধানত দুই প্রকার যথা-
ক) সলিড টাইপ বেন্ডখ) ইন্সপেকশন টাইপ বেন্ড ।
৩. বিভিন্ন ধরনের জাংশন বক্স,
৪. কলুইট,
৫. লকারিং এবং লক নাট,
৬. স্টপিং প্লাগ,
৭. টি,
৮. ইন্সপেকশন টি,
৯. ইন্সপেকশন বেন্ড,
১০. অ্যালেবো,
১১. নিপল,
১২. রিডিউসার,
১৩. বুশ,
১৪. কাপলিং,
১৫. বেন্ড,
১৬. নিপল,
১৭. স্যাডল,
১৮. ক্লিপ,
১৯, হুক,
২০ পেরেক,
২১. সকেট ইত্যাদি।
ক্যাপলিং :
এটি দুটি কন্তুইটকে জোড়া লাগানোর জন্য অভ্যন্তরীণ প্যাঁচযুক্ত ইস্পাতের পাইপের টুকরা।নিপল :
অভ্যন্তরীণ প্যাচযুক্ত ফিটিংস হতে বহির্ভাগে প্যাচযুক্ত ফিটিংস পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। রিডিউসার এর বহির্ভাগে বড় সাইজ এবং অভ্যন্তরে ছোট সাইজের কড়ুইটের জন্য প্যাচ কাটা আছে।(ক) কাপলিং,
(খ) কটূইট নিপল,
(গ) রিডিউসার
লকারিং অথবা লকনটি কভুইটকে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়।
বুশ (অভ্যন্তরীণ ও বহির্ভাগে প্যাচযুক্ত) :
টার্মিনাল বক্সে ভুইট লাগানোর কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। স্টপিং গ্লাগ বাইরের আবর্জনা যেন ঢুকতে না পারে এবং কন্তুইটের খোলা প্রান্ত বন্ধ করার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে।ক্লিপ দেয়াল বা পিভিসি কাঠামোর বহিঃপৃষ্ঠে কভুইট লাগানোর জন্য এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।
স্যাডল। দেয়াল বা কাঠ বা পিভিসি কাঠামোর বহিঃপৃষ্ঠে কভুইট লাগানোর জন্য এটি ব্যবহার হয়ে থাকে ।
১. স্ট্রাপ স্যাডল যেখানে কভুইট স্থাপনযোগ্য স্থানের বহিঃপৃষ্ঠ হতে দূরে রাখার প্রয়োজন হয় না, সেখানে
এগুলো ব্যবহার করা হয় এবং কন্ডুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের পাওয়া যায়।
(ক) স্ট্যাপ স্যাডল ক্রূর সাহায্যে কড়ুইট লাগানো হয়।
(খ) স্পেসবার স্যাডল কড়ুইটকে দেয়াল হতে আলাদাভাবে লাগানোর জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে।
(গ) ডিস্ট্যান্স স্যাডলে দুটি আলাদা অংশ আছে। কড়ুইটকে দেয়াল হতে দূরে রাখার জন্য এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।
২. স্পেসার বার স্যাডল এ ধরনের স্যাডল একটি পৃথক পাতের উপর বসানো হয়। এ পাড়গুলো ৩৭ মি.মি. ব্যাস সম্পন্ন কভুইটের জন্য ৩ মি.মি. এবং তদূর্ধ্ব ব্যাস সম্পন্ন কভুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজ পাওয়া যায়।
৩. মান্টিপল স্যাডল : সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কন্তুইট বসাবার জন্য এ ধরনের স্যাডল ব্যবহার করা
হয়। কড়ুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের স্যাডল পাওয়া যায়। স্যাডেলের সাইজ নির্ভর করে কন্তুইটের ব্যাসের উপর। দেয়ারের বহিঃপৃষ্ঠে কণ্ডুইট পাইপকে আটকানোর জন্য স্যাডেলের প্রয়োজন হয়।
কচুইটের ভেতর দিয়ে ফিস ওয়্যার/জিআইতার ঢুকানোর পদ্ধতি:
প্রথমে ফিস টেপের বাইয়ের প্রাপ্ত অল্প পরিমাণ ঢিলা করে নিয়ে কোনো জাংশন বক্সে আগত কন্তুইটের প্রান্ত দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করাতে হবে। অতঃপর সাবধানে ধীরে ধীরে ঠেলে ফিস ওয়্যার প্রবেশ করতে হবে। এভাবে কন্ডুইটের অপর প্রান্তে না আসা পর্যন্ত ফিস ওয়্যার একটু করে ঢিল দিয়ে প্রবেশ করাতে হবে। ফিস ওয়্যারটি কড়ুইটের অপর প্রান্ত দিয়ে বের হলে এর সাথে ড্র-ডার হিসেবে একটি জিআই তার মজবুত ভাবে আটকাতে হবে। এবার প্রথম প্রান্ত থেকে ফিস ওয়্যারটি টেনে ড্র-ওয়্যারটি সম্পূর্ণ কভুইটের মধ্যে প্রবেশ করাতে হবে। এভাবে কণ্ডুইটের ভিতর দিয়ে ফিস ওয়্যার/জিআই তার ঢুকানো হয়।
অন্য পোষ্ট : তারের জয়েন্ট কত প্রকার - সোল্ডারিং আয়রন - সোল্ডারিং কাকে বলে
তার/ক্যাবলের প্রাপ্ত ফিস ওয়্যার বা জিআই ওয়্যারের সাথে আটকানোর পদ্ধতি :
তার/ক্যাবলের প্রাপ্ত ফিস ওয়্যার বা জিআই ওয়্যারের সাথে আটকানোর জন্য প্রথমে ফিস ওয়্যারের প্রান্তে একটি লুপ তৈরি করতে হবে। এবার তার বা ক্যাবলসমূহের প্রাপ্ত ফিস ওয়্যার বা জিআই তারের সাথে চিত্র ২২.১৭ এর অনুরূপভাবে আটকাতে হবে। এমতাবস্থায় তারগুলোকে লুপসহ যতদূর সম্ভব সরু করে চেপে ধরে টেপ দিয়ে প্যাঁচিয়ে দিতে হবে যেন তারের কোনো খোলা ধারালো অংশ বাইরে না থাকে।ভার/ক্যাবল কভুইটের ভিতর দিয়ে টেনে নেওয়ার পদ্ধতি :
দু-ওয়্যার ও তারগুলোকে লুপসহ যতদুর সম্ভব সরু করে চেপে ধরে উত্তম ভাবে টেপ দিয়ে প্যাচানোর পর প্রথম প্রান্ত থেকে খুব সাবধানে আস্তে আস্তে দু ওয়্যারটি টানতে হবে। যেদিক দিয়ে ভারসমূহ প্রবেশ করবে সেই প্রান্তে একজন সাহায্যকারী আস্তে আস্তে একটু করে ঠেলা নেয়ার ব্যবস্থা করবে। সে সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তারসমূহ সমান তালে সমান্তরালভাবে না কোঁকড়িয়ে প্রবেশ করে। এই ভাবে তার/ক্যাবল ইটের ভেতর দিয়ে টেনে নিতে হবে।উপরের চিত্রের ন্যায় কড়ুইটের মধ্যে ক্যাবল ঢুকানোর ক্ষেত্রে ক্যাবলে ভাঁজ থাকায় এর ইনসুলেশন নষ্ট হতে পারে এবং ক্যাবল পরিমাণে বেশি লাগবে। সেজন্য মেশিন বা হাত দিয়ে ক্যাবল সোজা করে দিতে হবে আর অন্য দিক থেকে ফিস ওয়্যার টেনে কাজ করতে হবে।
কাজের সময় সতর্কতা বন্ধুইট ওয়্যারিং করার সময় মালামাল/সরঞ্জামাদি নির্বাচিত স্যাডলে আটকানো,
কন্তুইট বসানো, ফিসওয়্যার ঢুকানো, তার টানাসহ বিভিন্ন
১. হ্যান্ড গ্লাভস, গগলস্ পরে কাজ করতে হবে।
কাজে যে বিষয়গুলোতে সতকর্তা মানতে হয় সেগুলো হলো
২. কম্ভুইট বসানোর সময় পরিবাহী তার টানার জন্য ফিস ওয়্যার ঢুকতে হবে।
৩. দেয়াল কাটার সময় সাবধানে হ্যামারের সাহায্যে চিজেলের মাথায় আঘাত করতে হবে, যেন হাতে না লাগে।
৪. সাবধানে কন্তুইট বাঁকাতে হবে, বাঁকানোর সময় অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা উচিত নয় ।
৫. সকেট, টি, বেল্ড ইত্যাদি সঠিকভাবে ও আস্তে আস্তে লাগাতে হবে।
৬. কভুইটের ধারালো প্রাস্তগুলো রিমার ফাইল দ্বারা মসৃণ করতে হবে যাতে তারের ইনসুলেশন নষ্ট না হয়।
৭. জিআই কম্ভুইটের মধ্যে দিয়ে সাবধানে তার/ক্যাবল টানতে হবে।
৮. কণ্ডুইটের মধ্যে যেন পানি প্রবেশ না করে এবং পানি না আটকে থাকে, তার জন্য সামান্য চালু করে কন্তুইট
বসাতে হবে।
৯. আর্থিং ভালো হতে হবে এবং ধাতব সরঞ্জাম যেন বড় না হয় তা দেখতে হবে।
১০. মরিচা হতে মুক্ত রাখার জন্য বাইরের প্যাচগুলোতে রং করতে হবে।
