সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

 সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

ওয়্যারিং কাজে ব্যবহৃত ফিটিংস

ল্যাম্প হোল্ডার বৈদ্যুতিক তারের সাথে বাতি লাগানোর জন্য যে ফিটিংস ব্যবহার করা হয়, তাকে ল্যাম্প বা বাতি হোল্ডার বলে। ল্যাম্প হোল্ডারের শ্রেণিবিভাগ গঠন ও ব্যবহার অনুযায়ী ল্যাম্প বা বাতির হোল্ডারকে নিম্নরূপ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ব্যাটেন হোল্ডার,
২. পেনডেন্ট হোল্ডার,
৩. ব্রাকেট হোল্ডার,
৪ ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্প হোল্ডার,
৫. স্যুইভেল হোল্ডার
৬. পুশ পুল হোল্ডার
৭. কী সুইচ হোল্ডার ইত্যাদি।

বিভিন্ন ল্যাম্প হোল্ডারের ব্যবহার নিচে বিভিন্ন ধরনের ল্যাম্প হোল্ডারের ব্যবহার বর্ণনা করা হলো।
১/ পেনডেন্ট হোল্ডার
২/ স্ক্রু ক্যাপ হোল্ডার
৩/ ব্রাকেট হোল্ডার
৪/ পুশ পুল হোল্ডার
৫/ বেয়নেট ক্যাপ
৬/ কী সুইচ হোল্ডার
৭/ ব্যাটেন হোল্ডার
ব্যাটেন হোল্ডার ব্যাটেন হোল্ডার সাধারণত ব্যাটেন ওয়্যারিংয়ে পিভিসি বা কাঠের বোর্ডে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ছাদে বা দেয়ালে লাগানোর জন্য এ হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।
১. পেনডেন্ট হোল্ডার ঝুলন্ত স্থানে ল্যাম্পকে জ্বালানোর জন্য পেনডেন্ট হোল্ডার ব্যবহার করা হয়। ছাদে আটকানো সিলিং রোজ হতে ফ্লেক্সিবল তারের মাধ্যমে সংযোগ দেয়ার জন্য পেনডেন্ট হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।
২. ব্র্যাকেট হোল্ডার এ ধরনের হোল্ডারের এক প্রান্তে প্যাঁচ কাটা একটি ক্যাপ থাকে। এ ক্যাপের সাহায্যে প্যাচিয়ে ব্রাকেটের এক প্রান্তে হোল্ডার লাগানো হয়। ব্র্যাকেটের অন্য প্রান্ত দেয়ালে লাগানোর ব্যবস্থা থাকে। ব্র্যাকেটসহ এটি দেয়ালে ব্যবহার করা হয়।
৩. কি সুইচ হোল্ডার : এ ধরনের হোল্ডার সাধারণত টেবিল ল্যাম্পে ব্যবহার করা হয়। ল্যাম্প জ্বালানো এবং নিভানোর জন্য এ হোল্ডারের গায়ে সুইচ-এর ব্যবস্থা থাকে, বলে এরূপ নামকরণ হয়েছে। সেজন্য খুব
সহজেই হাতের নাগালে পাওয়া যায়, এমন জায়গায় এ হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।
৪. পুশ গুল হোল্ডার এ হোল্ডারও কি সুইচ হোল্ডারের ন্যায় টেবিল ল্যাম্পে ব্যবহার করা হয়। হোল্ডারের গায়ে একটি সুইচিং ব্যবস্থা আছে, যার সাহায্যে বাতি জ্বালানো ও নিভানো হয়। খুব সহজে নাগালে পাওয়া যায় এমন জায়গায় ল্যাম্পকে জ্বালানো এবং নিভানোর জন্য এ হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।
৫. স্যুইভেল হোল্ডার বিভিন্ন দিকে আলো প্রেরণের জন্য দোকানে, প্রদর্শনীতে এবং জনসমাগমের স্থানে ব্যবহৃত বাতির জন্য এই হোল্ডার ব্যবহৃত হয়।
৬. ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্প হোল্ডার ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্প হোল্ডার ফ্লোরেসেন্ট টিউব জ্বালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এ হোল্ডার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে ।
৭. বেয়নেট ক্যাপ হোল্ডার সর্বনিম্ন থেকে ২০০ ওয়াট পর্যন্ত বাড়ির জন্য বেয়নেট ক্যাপ হোল্ডার ব্যবহার করা হয়ে থাকে । বাসা-বাড়িতে বাতি জ্বালানোর জন্য সাধারণত এ ধরনের হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।
৮. ক্রু ক্যাপ হোল্ডার তুলনামূলকভাবে অধিক ক্ষমতা (২০০ থেকে ১০০০ ওয়াট) সম্পন্ন বাতির জন্য ক্রু ক্যাপ হোল্ডার ব্যবহার করা হয়।


অন্য পোষ্ট : electrician hand tools - electrical hand tools - mechanical electrical tools

সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

সুইচ ও সুইচ-এর শ্রেণিবিভাগ :

সুইচ : সুইচ হচ্ছে অতি জরুরি একটি বৈদ্যুতিক ফিটিংস। এটি সার্কিট নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। বৈদ্যুতিক সার্কিটচ বা বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ (অফ, অন) করতে যে ফিটিংস ব্যবহার করা হয়, তাকে সুইচ বলে।
সুইচের শ্রেণিবিভাগ গঠন ও ব্যবহার অনুযায়ী সুইচকে নিম্নরূপ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা-
১. নাইফ সুইচ 
২. টাম্বলার সুইচ।
নাইফ সুইচের শ্রেণিবিভাগ:
বাজারে বিভিন্ন ধরনের নাইফ সুইচ পাওয়া যায়। যেমন-
ক) মেইন সুইচ,
খ) ব্রেক সুইচ,
গ) SPST,
ঘ) SPDT
3) DPDT
চ) আয়রন ক্লাড সুইচ,
ছ) TPST ইত্যাদি।

ট্রাম্বুলার সুইচের শ্রেণিবিভাগ :

বহুল ব্যবহৃত ট্রাম্বুলার সুইচগুলো হলো-
ক) ওয়ান ওয়ে সুইচ
খ) টু ওয়ে সুইচ,
গ) ইন্টারমিডিয়েট সুইচ,
ঘ) বেড সুইচ
ও) কী সুইচ
চ) পুশ পুল সুইচ,
ছ) রোটারি সুইচ,
জ) পুশ বাটন সুইচ ইত্যাদি ।
ভোল্টেজ গ্রেড অনুযায়ী সুইচকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
১. ২৫০ ভোল্ট গ্রেডের সুইচ ২. ৫০০ ভোল্ট গ্রেডের সুইচ। কারেন্ট বহন করার ক্ষমতা অনুযায়ী সুইচকে বিভিন্ন ধাপে বিভক্ত করা যায়।
যেমন- ৫A, ১০A, ১৫A, ২০A, ৩০A, ৬০A, ১০০ A এবং ১৫০A সুইচ ইত্যাদি ।

বিভিন্ন প্রকার সুইচের ব্যবহার :

বিভিন্ন ধরনের সুবিধা, কাজের ধরন ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী সুইচ ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের সুইচের নামসহ এদের ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো। বিভিন্ন প্রকার ট্রাম্বুলার সুইচের ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো


সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

১। ট্রাম্বুলার সুইচ :

এ ধরনের সুইচ ২৫০ ভোল্ট, ৫ অ্যাম্পিয়ার থেকে ১৫ অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বাড়ি, হিটার, ইস্ত্রি ইত্যাদি লোড চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। সাধারণত কম অ্যাম্পিয়ারের ক্ষেত্রে অর্থাৎ ৫ অ্যাম্পিয়ার এর টাম্বুলার সুইচ বাতি জ্বালাবার জন্য, এবং ১৫ অ্যাম্পিয়ার টাম্বুলার সুইচ হিটার, ইস্ত্রি ইত্যাদি পাওয়ার সার্কিটে ব্যবহৃত হয়।

২। ওয়ান ওয়ে সুইচ :

সাধারণত বাড়ি, পাখা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে এ সুইচ ব্যবহার করা হয় ।

৩। টু ওয়ে সুইচ :

সিঁড়িঘরের বাতি বা বড় বড় হলো ঘরে যেখানে দু' জায়গা হতে বাতি নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন, সে সমস্ত জায়গায় এ সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৪ । ইন্টারমিডিয়েট সুইচ 

কোনো বাতিকে তিন বা তার অধিক জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সার্কিটের দু' প্রান্তে দু'টি টু ওয়ে সুইচ এবং মাঝখানে প্রয়োজন অনুসারে একাধিক ইন্টারমিডিয়েট সুইচ ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত সিঁড়িঘরের বাতি বা বড় হলো ঘরের বাতি জ্বালানো নিভানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।

অন্য পোষ্ট : রেফ্রিজারেটর - Refrigerator introduction - এয়ার কুলার - Air Cooler

৫। পুশ সুইচ

এ সুইচ সাধারণত গোসলখানার ছাদে ব্যবহৃত হয়।
৬। পুশ পুল সুইচ। এ ধরনের সুইচ সাধারণত টেবিল ল্যাম্পে ব্যবহৃত হয়।

৭। কী সুইচ : 

এ সুইচও সাধারণত টেবিল ল্যাম্পে ব্যবহৃত হয়।

৮। রোটারি সুইচ : 

এ ধরনের সুইচ বৈদ্যুতিক মটরের ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন, বেগ পরিবর্তন, সার্কিট
কন্ট্রোলিং এবং বড় বৈদ্যুতিকচুলায় বিদ্যুৎ সংযোগ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

৯। ৰেড সুইচ : 

এ সুইচগুলো সাধারণত বৈদ্যুতিক মটরের স্টার্টারের সাথে, বেল সার্টিটে টাইম সুইচ ব্যবহার করা হয়।

১০। পুশ বাটন সুইচ :

এ সুইচগুলো সাধারণত বৈদ্যুতিক মটরের স্টার্টারের সাথে, বেল সার্কিটে এবং ল্যাম্প সার্কিটে সাময়িক সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়।

১১। টাইম সুইচ :

কোনো সার্কিটকে নির্দিষ্ট সময় পর অন বাঅফ করার প্রয়োজন হলে সে সার্কিটে টাইম সুইচ ব্যবহার করা হয় ।

১২। কনসিল্ড সুইচ 

এ ধরনের সুইচ কনসিন্ড ওয়্যারিংয়ে ব্যবহৃত হয়। ইদানীং যে কোনো হাউজ ওয়্যারিং এ কনসিল্ড সুইচ ব্যবহৃত হচ্ছে। সুইচের নিচের অংশ বোর্ডের মধ্যে থাকে বলে, এটি ওয়্যারিংয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

১৩। টুইনৰ সুইচ 

যেখানে অনেকগুলো বাতি আছে যার কিছু এক সময়ে, কিছু অন্য সময়ে, আবার কখনও কখনও সবগুলো একসাথে জ্বালাতে হয়, সেখানে টুইনব সুইচ ব্যবহার করা হয়।


সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

বিভিন্ন ধরনের নাইফ সুইচের ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো

১. নাইফ সুইচ :

এ সুইচগুলো সাধারণত মেইন সুইচ বোর্ডে ব্যবহার হয়। বৈদ্যুতিক মোটর সার্কিট, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক কন্ট্রোল সার্কিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সার্কিট হতে বিচ্ছিন্ন করতে এ সুইচ ব্যবহার হয় ।

২. মেইন সুইচ :

বিদ্যুৎ মিটার বোর্ডের পর ব্যবহারকারীর সমগ্র সার্কিটকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মেইন সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৩. সিঙ্গেল পোল সুইচ 

লাইনের শুধুমাত্র একটি তারের সংযোগ স্থাপন ও বিচ্ছিন্ন করার কাজে এ সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৪. ডাবল পোল সুইচ 

লাইনের দুইটি তারের সংযোগ স্থাপন ও বিচ্ছিন্ন করার কাজে এ সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৫. ট্রিপল পোল সুইচ 

লাইনের তিনটি তারের সংযোগ স্থাপন ও বিচ্ছিন্ন করার কাজে এ সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৬. সিঙ্গেল থ্রো সুইচ :

আবাসগৃহে বা কারখানায় বা অনুরূপ স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিচ্ছিন্ন করার জন্য মিটার বোর্ডের পরে ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন এ সুইচ ব্যবহার করা হয়।

৭. আয়রন ক্ল্যাড সুইচ:

আবাসগৃহে বা কলকারখানায় বা অনুরূপ স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়ার জন্য বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করার জন্য মিটার বোর্ডের পরে ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন এই সুইচ ব্যবহার করা হয়।

অন্য পোষ্ট : microwave oven - মাইক্রোওয়েভ ওভেন - ইস্ত্রি মেশিন - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি - electric iron

সকেট ও সকেটের শ্রেণিবিভাগ:

সকেট হচ্ছে বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং লাইনে ব্যবহৃত এমন ধরনের সরঞ্জাম যার মধ্যে সর্বদা বৈদ্যুতিক সংযোগ থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে সরবরাহ দেয়া যায়। যেমন-
টেবিল ল্যাম্প,
টেবিল ফ্যান,
টিভি,
রেডিও,
ক্যাসেট,
রেকর্ড প্লেয়ার,
ডিভিডি ইত্যাদির ক্ষেত্রে টু-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। বৈদ্যুতিক ইঞ্জি, ইলেকট্রিক হ্যান্ড ড্রিল মেশিন ও ইলেকট্রিক হ্যান্ড গ্রাইন্ডার ইত্যাদির ক্ষেত্রে আর্থ টার্মিনালসহ টু-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া যে সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ধাতব বডি থাকে এবং এটি বিদ্যুতায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও যথেষ্ট সেই সকল ক্ষেত্রে থ্রি-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। যেমন রেফ্রিজারেটর, রুম হিটার, টেবিল হিটার, হট-প্লেট, বৈদ্যুতিক ওডেন ইত্যাদি । সকেটের শ্রেণিবিভাগ: সকেট সাধারণত তিন প্রকার। যথা
১) টুন-পিন সকেট, ৫A (সুইচসহ বা সুইচ ছাড়া)
২) টুন-পিন সকেট, ১৫A (সুইচসহ বা সুইচ ছাড়া)
৩) থ্রি-পিন সকেট, ১৫A
৪) তাছাড়া বাজারে উপরে উল্লেখিত সবগুলো সকেটই সুইচের সাথে একত্রে পাওয়া যায় যেগুলো কৰাইডন্ড সুইচ-সকেট নামে পরিচিত।

বিভিন্ন প্রকার সকেটের ব্যবহার:

প্রয়োজন অনুযায়ী সকেটের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে সরবরাহ দেয়া যায়। যেমন- টেবিল ল্যাম্প, টেবিল ফ্যান, টিভি, রেডিও, ক্যাসেট, রেকর্ড প্লেয়ার, ডিভিডি ইত্যাদির ক্ষেত্রে টু-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। বৈদ্যুতিক ইঞ্জি, ইলেকট্রিক হ্যান্ড ড্রিল মেশিন ও ইলেকট্রিক হ্যান্ড গ্রাইন্ডার ইত্যাদির ক্ষেত্রে আর্থ টার্মিনালসহ টু-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া যে সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ধাতব বডি থাকে এবং এটি বিদ্যুতায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও যথেষ্ট সেই সকল ক্ষেত্রে থ্রি-পিন সকেট ব্যবহার করা হয়। যেমন রেফ্রিজারেটর, রুম হিটার, টেবিল হিটার, হট-প্লেট, বৈদ্যুতিক ওভেন ইত্যাদি ।
একাধিক বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এক স্থান হতে চালানোর জন্য বর্তমানে মাল্টি-সকেট বা এক্সটেনশন কর্ড পাওয়া যায়। সাময়িকভাবে বিদ্যুতের লাইন বর্ধিত করার জন্য এ ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।
সুইচসহ থ্রি-পিন
থ্রি-পিন
টু-পিন
সুইচসহ টু-পিন
আর্থসহ টু-পিন
কনসিন্ড টাইপ
সারফেস টাইপ
মাল্টি সকেট


সুইচ কত প্রকার - ব্যাটেন হোল্ডার - ইলেকট্রিক হোল্ডার কত প্রকার

গ্লাপ ও প্লাগের শ্রেণিবিভাগ :

প্লাগ সাধারণত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়ার জন্য এর সাথে সংযুক্ত তার বা কর্ডের টার্মিনালে যে ফিটিংস ব্যবহার করা হয়, তাকে প্লাগ বলে। অন্য কথায়, সকেটের মাধ্যমে লোডের বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য যে ফিটিংস ব্যবহার করা হয় তাকে প্লাগ বলে। সকেটের ধরন অনুযায়ী প্রাগ ব্যবহৃত হয়।

প্লাগের শ্রেণিবিভাগ :

প্লাগ তিন প্রকার যথা
১. টু-পিন প্লাগ, ৫ অ্যাম্পিয়ার,
২. থ্রি-পিন প্লাগ, ৫ অ্যাম্পিয়ার ও
৩. থ্রি-পিন প্লাগ, ১৫ অ্যাম্পিয়ার

বিভিন্ন প্রকার প্লাগের ব্যবহার টেবিল ল্যাম্প, টেবিল ফ্যান, টিভি, রেডিও, ক্যাসেট, রেকর্ড প্লেয়ার, বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক হ্যান্ড ড্রিল মেশিন ও ইলেকট্রিক হ্যান্ড গ্রাইভার ইত্যাদিতে টু-পিন প্লাগ সংযুক্ত থাকে। আর যেমন ছোট ছোট পিলার ড্রিল, রেফ্রিজারেটর, রুম হিটার, টেবিল হিটার, হট-প্লেট, বৈদ্যুতিক ওভেন ইলেকট্রিক সুইং মেশিন, সিংগেল ফেজ গ্রাইন্ডিং মেশিন ইত্যাদিতে থ্রি-পিন প্লাগ ব্যবহার করা হয়।


সিলিং রোজ এবং এর ব্যবহার

সিলিং রোজ:
সাধারণত ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যেমন বাতি, পাখা, টিউব বাতি ইত্যাদিতে সরবরাহ প্রদানের জন্য ঘরের ছাদে বা সিলিং এ যে ফিটিংস ব্যবহার করা হয়, তাকে সিলিং রোজ বলা হয়। ২৫০ ভোল্টের বেশি বৈদ্যুতিক সার্কিটে সিলিং রোজ ব্যবহার করা হয় না। সিলিং রোজের ঢাকনার মধ্যে তারের উপর গিট দেয়া হয় যাতে করে সংযোগ স্থায়ী হয় বা খুলে না যায়। নিচে সিলিং রোজ এর চিত্র দেখানো হয়েছে। সিলিং রোজের ব্যবহার নিয়ে সিলিং রোজ এর ব্যবহার উল্লেখ করা হলো
১. ফ্লেক্সিবল তার দিয়ে সিলিং রোজ-এর মাধ্যমে ঝুলন্ত বাতি, সিলিং ফ্যান, ফ্লোরোসেন্ট করতে হয়।
২. বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের লুপিং করার জন্য থ্রি-ওয়ে সিলিং রোজ ব্যবহার করা হয়।

বাতি সংযোগ

বৈদ্যুতিক লাইনে সুইচের সংযোগ পদ্ধতি:
সুইচ বৈদ্যুতিক সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র হিসেবে কাজ করে। যেহেতু বৈদ্যুতিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের পথকে অন ও অফ করার জন্য সুইচ ব্যবহার করা হয়, তাই সুইচকে সবসময় লোডের সাথে সিরিজে সংযোগ করতে হয়।

সুইচ ফেজে লাগানোর কারণ:

সুইচকে ফেজ বা নিউট্রাল যে কোনো তারে সংযোগ করলে বৈদ্যুতিক লোড অন – অফ করা যায় কিন্তু নিউট্রাল তারে সুইচ লাগানো হলে সুইচ অফ করার পরও সার্কিটে লোডে হোল্ডারে বা সিলিং রোজে সাপ্লাই থাকে। যদি একজন ইলেকট্রিশিয়ান সুইচ বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট সার্কিটে মেরামতের কাজ করতে এই মনে করে যে, সুইচ বন্ধের ফলে সার্কিটে বিদ্যুৎ সাপ্লাই নেই তাহলে সে বৈদ্যুতিক শক পাবে। ফলে মেরামত কাজ নিরাপদ হবে না। আর ফেজ তারে সুইচ লাগানো হলে সুইচ অফ করার পর সার্কিটে, লোডে, হোল্ডারে বা সিলিং রোজে সাপ্লাই থাকে না। ফলে মেরামত নিরাপদ হয়। তাই বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং-এর ক্ষেত্রে সুইচ সর্বদা ফেজ তারে লাগাতে হয়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url