প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
প্যারালাল সার্কিটের সংজ্ঞা
কতকগুলি রেজিস্টরকে যদি এমনভাবে সংযোগ করা হয় যেন, এদের সবকটির এক প্রান্ত একটি সাধারণ বিন্দুতে এবং অপর প্রান্তগুলো অন্য একটি সাধারণ বিন্দুতে সংযুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেজিস্টরের দুই প্রান্তে একই ভোল্টেজ বজায় থাকে তবে এইরূপ সংযোগকে প্যারালাল সংযোগ বলে। আর এভাবে প্যারালালে সংযোজিত সার্কিটকে প্যারালাল সার্কিট বলে। অন্য কথায় বলা যায়, যে সার্কিটে লোডগুলো প্যারালালে সংযুক্ত থাকে, তাকে প্যারালাল সার্কিট বলে।
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য
নিম্নে প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণিত হলো
১। কারেন্ট : প্যারালাল সার্কিটের মোট কারেন্ট ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্যান্স দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের মানের যোগফলের সমান।
অর্থাৎ, Is = I + I2 + 3 + ........... + In
২। রেজিস্ট্যান্স : প্যারালাল সার্কিটের মোট সমতুল্য রেজিস্ট্যান্সের বিপরীত মান প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্যান্সের বিপরীত মানের যোগফলের সমান।
ভোল্টেজ : প্রতিটি রেজিস্ট্যান্সের দুই প্রান্তে যে ভোল্টেজ পাওয়া যায় তা সাপ্লাই ভোল্টেজের সমান। অর্থাৎ, Vs = V = V2 = V3 =....... = Va
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
অন্য পোষ্ট : service entrance cable - service entrance conductors - service entrance
রেজিস্ট্যান্সের প্যারালাল সংযোগের গুরুত্ব
যেসব স্থানে সরবরাহ ভোল্টেজের সমান ভোল্টেজ সরবরাহ করার প্রয়োজন, সেসব স্থানে প্যারালাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। যেমন বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, সড়ক বাতি, খেলার মাঠ, কলকারখানা ইত্যাদি স্থানে প্যারালাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়।
প্যারালাল সার্কিটের গুরুত্ব অনেক বেশি, কারণ
১. সার্কিটের কোনো একটি লোড নষ্ট হলে অন্য সকল লোড ঠিক থাকে।
২. স্বীয় ক্ষমতা অনুযায়ী এ সার্কিটের বাতিগুলো জ্বলে। ৩. সার্কিটের প্রতিটি লোড আলাদা আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৪. প্যারালাল সার্কিটে ভোল্টেজ ড্রপ হয় না।
৫. কারেন্ট প্রবাহের একাধিক পথ আছে।
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
প্যারালাল সার্কিটের মোট রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়
যখন কতগুলো রেজিস্ট্যান্স প্যারালালে সংযোগ করা হয় তখন এদের সমতুল্য রেজিস্ট্যান্সের বিপরীত মান প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্যান্সের বিপরীত মানের যোগফলের সমান। মনে করি, R1, R2, R3 ও R4 চারটি রেজিস্ট্যান্স প্যারালালে সংযুক্ত আছে। সংযোগ বিন্দুতে বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ V ভোল্ট এবং রেজিস্ট্যান্সগুলির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট যথাক্রমে l1, l2, l3 ও l4 অ্যাম্পিয়ার।
প্যারালাল সার্কিটের মোট কারেন্ট নির্ণয়
প্যারালাল সার্কিটের বিভিন্ন শাখার রেজিস্ট্যান্সের অনুপাতে শাখাগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন কারেন্ট প্রবাহিত হয় । প্যারালাল সার্কিটের মোট কারেন্ট বিভিন্ন শাখার কারেন্টগুলির যোগফলের সমান । বিভিন্ন শাখার কারেন্ট যথাক্রমে l1+l2+l3+l4-------- Ln হলে - মোট কারেন্ট l1= l1 + l2 + l3 + l4 +...... + Ln সাপ্লাই ভোল্টেজকে প্যারালাল সার্কিটের মোট বা সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স দ্বারা ভাগ করলে মোট কারেন্ট পাওয়া
যায়।
প্যারালাল সার্কিটের বৈশিষ্ট্য | Parallel circuit | চুম্বক কাকে বলে
প্যারালাল সার্কিটের ব্যবহার
প্যারালাল সার্কিট সাধারণত বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, সড়ক বাতি, খেলার মাঠ, কলকারখানা, দোকানপাট প্রভৃতি স্থানে ব্যবহৃত হয়। প্যারালাল সার্কিটের সুবিধা অনেক বেশি। তাই প্যারালাল সার্কিটের ব্যবহারও বেশি । প্যারালাল সার্কিটের সুবিধাসমূহ
১. সার্কিটের কোনো একটি লোড নষ্ট হলে অন্য সকল লোড ঠিক থাকে।
২. স্বীয় ক্ষমতা অনুযায়ী এ সার্কিটের বাতিগুলো জ্বলে।
৩. সার্কিটের প্রতিটি লোড আলাদা আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৪. প্যারালাল সার্কিটে ভোল্টেজ ড্রপ হয় না।
৫. কারেন্ট প্রবাহের একাধিক পথ আছে।
অন্য পোষ্ট : প্রাথমিক চিকিৎসা - বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা - প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা
সিরিজ-প্যারালাল মিশ্র সার্কিটের সংজ্ঞা
যখন কোনো সার্কিটে কিছু উপাদান সিরিজে এবং কিছু উপাদান প্যারালালে সংযোগ করা হয়, তখন তাকে
সিরিজ-প্যারালাল মিশ্র সার্কিট বলে। সিরিজ-প্যারালাল মিশ্র সার্কিট নিম্নলিখিত উপায়ে গঠিত হতে পারে
(ক) দুই বা ততোধিক লোড প্যারালালে সংযোগ করে উক্ত প্যারালাল ইউনিটগুলিকে সিরিজে সংযোগ করে। (খ) দুই বা ততোধিক লোড সিরিজে সংযোগ করে উক্ত সিরিজ ইউনিটগুলিকে প্যারালালে সংযোগ করে।
(গ) ক ও খ এর সমন্বয়েও এই সার্কিট গঠন করা যায় ।
চুম্বক ও চৌম্বক পদার্থ
চুম্বক
চুম্বুকের সংজ্ঞা
চুম্বক এমন একটি পদার্থ যা লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে এবং একে সুতা দ্বারা মুক্তভাবে ঝুলিয়ে রাখলে সর্বদা উত্তর-দক্ষিণ দিক নির্দেশ করে। তাছাড়া চুম্বক দ্বারা অন্য চৌম্বক পদার্থকেও চুম্বকে পরিণত করা যায়। সুতরাং যে পদার্থের দিকদর্শী ও আকর্ষণী ধর্ম আছে এবং যে পদার্থ দ্বারা অন্য চৌম্বক পদার্থেও এ ধর্ম সঞ্চালন করা যায় তাকে চুম্বক বলে ।
চুম্বকের ধর্ম
চুম্বকের মূলধর্ম চারটি। যথা-
(১) আকর্ষণী ধর্ম,
(২) দিকদর্শী ধর্ম,
(৩). দুই প্রান্তে বিপরীত মেরু ধর্ম,
(৪) চুম্বকীকরণ ধর্ম।
আকর্ষণী ধর্ম :
চুম্বক লোহা বা লোহা মিশ্রিত ধাতু অথবা চৌম্বক পদার্থকে আকর্ষণ করে। একটি চুম্বককে লোহার গুঁড়ার মধ্যে রাখলে লোহার গুঁড়াগুলো এর চারদিকে জড়িয়ে ধরবে। এটি হচ্ছে চুম্বকের আকর্ষণীয় ধর্ম। যে ধর্মের জন্য চুম্বক অন্যান্য পদার্থকে আকর্ষণ করে তাকে চুম্বকের আকর্ষণ ধর্ম বলে। চুম্বক অন্য একটি চুম্বকের বিপরীত মেরু এবং চৌম্বক পদার্থকে আকর্ষণ করে কিন্তু শুধু অন্য একটি চুম্বকের সমমেরুকে বিকর্ষণ করে। এটাই চুম্বকত্বের নিশ্চিত প্রমাণ।
দিকদর্শী ধর্ম :
এ ধর্মের জন্য চুম্বক দিক নির্দেশ করতে পারে। একটি চুম্বককে সুতা দ্বারা মুক্তভাবে ঝুলিয়ে দিলে এটি সর্বদা উত্তর-দক্ষিণ দিকে মুখ করে থাকবে। যে ধর্মের দ্বারা চুম্বক দিক নির্দেশ করতে পারে, তাকে চুম্বকের দিকদর্শী ধর্ম বলে। চুম্বকের এ ধর্মের বলেই আদিকালে নাবিকেরা অকূল সাগরে জাহাজ পরিচালনা করতেন। সেজন্য একে পথ নিদের্শক পাথর (leading stone) বলা হয়
দুই প্রান্তে বিপরীত মেরু ধর্ম :
চুম্বকের দুই প্রান্তে বিপরীত মেরু সর্বদা লক্ষ্য করা যায়। দুইটি চুম্বকের সমধর্মী মেরু পরস্পরের কাছে আনলে এরা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীত ধর্মী মেরু পরস্পরের কাছে আনলে এরা আকর্ষণ করে।
চুম্বকীকরণ ধর্ম :
এ ধর্মের বলে কোনো চৌম্বক পদার্থকে ঘর্ষণ করে চুম্বকে পরিণত করা যায়। চুম্বক দ্বারা একটি কাঁচা লোহার পাত বা দণ্ডকে ঘর্ষণ করলে ঐ পাত বা দণ্ডটিও চুম্বকে পরিণত হয়। যে ধর্মের জন্য চুম্বক দ্বারা অন্য পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাকে চুম্বকের চুম্বকীকরণ ধর্ম বলে।
চুম্বকের শ্রেণিবিভাগ
চুম্বকের প্রকারভেদ চুম্বক সাধারণত দুই প্রকার। যথা
ক) স্বাভাবিক চুম্বক বা প্রাকৃতিক চুম্বক ।
খ) কৃত্রিম চুম্বক ।
প্রাকৃতিক চুম্বক :
যে সকল চুম্বক খনি, পাহাড় অর্থাৎ প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, তাকে প্রাকৃতিক চুম্বক বলে । প্রাকৃতিক চুম্বকের নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই এবং তেমন শক্তিশালীও নয়। তবে এদের চুম্বকত্ব স্থায়ী। স্থায়ী চুম্বককে এক সময় নাবিকরা সন্ধানী ও দিকদর্শী পাথর হিসাবে ব্যবহার করতেন।
অন্য পোষ্ট : সেল ও ব্যাটারির পরিচিতি - ব্যাটারি - সেল কাকে বলে - ড্রাই সেল কাকে বলে
কৃত্রিম চুম্বক :
পরীক্ষাগারে বিশেষ বিশেষ ধাতব পদার্থ যেমন— লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট নিয়ে বিশেষ উপায়ে যে চুম্বক তৈরি করা হয় তাকে কৃত্রিম চুম্বক বলে। কৃত্রিম চুম্বককে প্রয়োজনমতো বিভিন্ন আকারের তৈরি করা যায়। এদের চুম্বকত্ব বেশি এবং এরা নিয়মিত আকারের হয়ে থাকে। কৃত্রিম চুম্বক দুই প্রকার। যথা
(১) স্থায়ী চুম্বক, (২) অস্থায়ী চুম্বক ।
স্থায়ী চুম্বক আবার নিম্নলিখিত প্রকারের হয়ে থাকে
ক) দণ্ড চুম্বক :
খ) অশ্ব ক্ষুরাকৃতি চুম্বক :
গ) রিং চুম্বক :
ঘ) শলাকা চুম্বক:
চৌম্বক পদার্থ ও অচৌম্বক পদার্থ
চৌম্বক পদার্থ :
যে সকল পদার্থ চুম্বকের সাহায্যে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয় এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং এদের সংক্র ইত্যাদি ।
চৌম্বক পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- যথা
(ক) ফেরো ম্যাগনেটিক পদার্থ;
(খ) প্যারা ম্যাগনেটিক পদার্থ;
(গ) ডায়া ম্যাগনেটিক পদার্থ।
ফেরো ম্যাগনেটিক পদার্থ :
যে সকল চৌম্বক পদার্থ চুম্বকের প্রভাবে খুব বেশি আকর্ষিত হয়, তাদেরকে ফেরো ম্যাগনেটিক পদার্থ বলে। যেমন- লোহা, ইস্পাত, কোবাল্ট ও এদের সংকর ধাতু ইত্যাদি। প্যারা ম্যাগনেটিক পদার্থ যে সকল চৌম্বক পদার্থ চুম্বকের প্রভাবে খুব কম বা সামান্য পরিমাণে আকর্ষিত হয়, তাদেরকে প্যারা ম্যাগনেটিক পদার্থ বলে। যেমন— অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম ইত্যাদি।
ডায়া ম্যাগনেটিক পদার্থ :
যে সকল চৌম্বক পদার্থ চুম্বকের প্রভাবে বিকর্ষিত হয়, তাদেরকে ডায়া ম্যাগনেটিক পদার্থ বলে। যেমন- দস্তা, পারদ, পানি, সিসা, টিন ইত্যাদি।
অচৌম্বক পদার্থ :
যে সকল পদার্থ চুম্বকের দ্বারা আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয় না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না সেগুলোকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- কাঁচ, তামা, পিতল, সোনা ইত্যাদি।
চুম্বক ক্ষেত্র :
চুম্বকের চারপাশে যে স্থান জুড়ে এর প্রভাব অনুভূত হয়, তাকে এর চুম্বক ক্ষেত্র বলে । গাণিতিক নিয়মানুসারে একটি চুম্বকের চুম্বকক্ষেত্র অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত । কিন্তু বাস্তবে তা নয়। বাস্তবে একটি চুম্বক একটি নির্দিষ্ট স্থান জুড়ে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এরপর চুম্বকের আর কোনো প্রভাব অনুভূত হয় না ।
চৌম্বকীয় ফ্লাক্স :
কোনো চুম্বকের উত্তর মেরু থেকে যতগুলো চুম্বক বলরেখা বের হয়ে চুম্বক ক্ষেত্রের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণ মেরুতে গিয়ে পৌঁছায়, তাদের সবকটিকে সম্মিলিতভাবে চৌম্বকীয় ফ্লাক্স বলে।
এর একক ওয়েবার এবং '+' চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের ফ্লাক্স
এম.এম.এফ
রিল্যাকট্যান্স = NI -S
বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে চুম্বক তৈরিকরণ:
যে দণ্ডকে চুম্বকে পরিণত করতে হবে, তার উপর দিয়ে ইনসুলেশন আবরণযুক্ত ভার দিয়ে পেঁচিয়ে নিতে হয়। উপরের চিত্রে একটি কাঁচা লোহার চারদিকে ইনসুলেশনের আবরণযুক্ত একটি তার পেঁচানো হয়েছে। এ তারের দুই প্রান্তে একটি চাবি (k), ব্যাটারি (B), এবং পরিবর্তনশীল রেজিস্ট্যান্স (Rh) সিরিজে সংযোগ করা হয়েছে।
এখন চাবি বন্ধ করলে ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্ত হতে বৈদ্যুতিক কারেন্ট বের হয়ে তারের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্যাটারির নিগেটিভ প্রান্তে পৌঁছাবে। এই কারেন্ট চলাকালীন অবস্থায় কাঁচা লোহার দণ্ডটি একটি শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত হবে কিন্তু কারেন্ট প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই লোহার দণ্ডটি এর চুম্বকত্ব হারিয়ে ফলবে। আর দপ্তটি যদি ইস্পাতের হয়, তাহলে তা একটি স্থায়ী চুম্বকে পরিণত হবে। পরিবর্তনশীল রেজিস্ট্যান্সের মাধ্যমে তারের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের মান কমিয়ে-বাড়িয়ে বা তারের প্যাচ সংখ্যা কম-বেশি করে চুম্বকের শক্তি কম বা বেশি করা যায় ।
