Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার

 Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার

Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার

Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার
অ্যামমিটার

অ্যামমিটার এর সংজ্ঞা

অ্যামমিটার :
অ্যামমিটার একটি বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্র। এই যন্ত্রের সাহায্যে কোনো সার্কিটে প্রবাহিত বৈদ্যুতিক কারেন্ট পরিমাপ করা হয়।
যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর কারেন্ট সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা হয় তাকে অ্যামমিটার বলে। অ্যামমিটার লোডের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়। কারণ সার্কিটের পুরা কারেন্ট অ্যামমিটারের কয়েল এর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত করানো প্রয়োজন হয় বলে লোডের সাথে অ্যামমিটার সিরিজে সংযোগ করা হয়। তাছাড়া মিটারের রেজিস্ট্যান্স খুব কম। তাই লোডের সাথে অ্যামমিটারকে সিরিজে সংযোগ করা হয়। অ্যামমিটারকে লোডের আড়াআড়িতে (প্যারালাল) সংযোগ করা হলে তা পুড়ে যাবে। বিভিন্ন রেঞ্জের অ্যামমিটার আছে। যেমন- কম মানের কারেন্ট মাপার জন্য ৫ অ্যাম্পিয়ার, ১০ অ্যাম্পিয়ার, ১৫ অ্যাম্পিয়ার; ২০ অ্যাম্পিয়ার; ৩০ অ্যাম্পিয়ার ইত্যাদি। বেশি মানের কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ক্লিপ অন মিটার ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে বাজারে ডিজিটাল অ্যামমিটার বা ডিজিটাল ক্লিপ অন মিটার পাওয়া যায় যার রেঞ্জ অনেক বেশি । এ মিটার দ্বারা ৫০০ থেকে ১০০০ অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত কারেন্ট পরিমাপ করা যায় ।

অ্যামমিটারের শ্রেণিবিভাগ

গঠন অনুযায়ী অ্যামমিটারকে নিম্নোক্ত ভাগে ভাগ করা যায় :
১. মুভিং আয়রন টাইপ এসি/ডিসি পরিমাপের জন্য
ক) আকর্ষণধর্মী
খ) বিকর্ষণধর্মী
২. মুভিং কয়েল টাইপ এসি/ডিসি পরিমাপের জন্য
ক) পারমানেন্ট ম্যাগনেট টাইপ শুধু ডিসির জন্য
খ) ডায়নামোমিটার টাইপ এসি/ডিসি পরিমাপের জন্য

সার্কিটে অ্যামমিটার সংযোগ করে পাঠ গ্রহণ
লোডের কারেন্ট অনুযায়ী অ্যামমিটার বাছাই করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন, অ্যামমিটারের রেঞ্জ অবশ্যই সার্কিটের মোট কারেন্ট-এর বেশী হতে হবে। অ্যামমিটারকে লোডের সাথে সিরিজে সংযোগ করতে হবে। এসি অ্যামমিটারের ক্ষেত্রে পজিটিভ বা নেগেটিভ টার্মিনাল বিবেচনা করতে হয় না। কিন্তু ডিসি অ্যামমিটারের বেলায় পজিটিভ (+ve) ও নেগেটিভ (-ve) টার্মিনাল দেখে সংযোগ করতে হয়। সাপ্লাইয়ের পজিটিভ (+ve) প্রান্তের সাথে অ্যামামিটারের পজিটিভ (+ve) প্রাত্ত সংযোগ করে অ্যামমিটারের অপর প্রান্তের সাথে লোডের এক প্রান্ত সংযোগ করতে হবে এবং লোডের অপর প্রান্তকে সাপ্লাইয়ের নেগেটিভ (-ve) প্রান্তের সাথে সংযোগ দিতে হবে। সুইচের মাধমে লোডে সাপ্লাই দিয়ে মিটারের পাঠ নিতে হবে। পাঠ নেওয়ার পূর্বে মিটারের ডায়ালের ছোট ভাগ বা দাগ সংখ্যা দেখে ছোট এক ভাগের মান হিসাব করতে হবে। মিটারের কাটা যত দাগ পর্যন্ত যাবে সেই সংখ্যাকে প্রতি দাগের মান দ্বারা গুণ করলে মোট মান পাওয়া যাবে। ছোট এক ভাগের মান হিসাব করার জন্য মিটারের রেঞ্জকে মোট দাগ বা ভাগ সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে।


অন্য পোষ্ট : Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect

ভোল্টমিটার

ভোল্টমিটার একটি বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্র। যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর বৈদ্যুতিক চাপ বা ভোল্টেজ সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ কর হয় তাকে ভোল্টমিটার বলে। ভোল্টমিটারকে লোডের সাথে প্যারালালে অর্থাৎ লোডের আড়াআড়ি সংযোগ করা হয় ।

লোডের সাথে ভোল্টমিটার সিরিজে সংযোগ করা হয় না। ভোল্টমিটারের রেজিস্ট্যান্স সাধারণত অনেক বেশি থাকে। তাই ভোল্টমিটারকে লোডের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হলে ভোল্টমিটারেই অনেক বেশি ভোল্টেজ অপচয় (ড্রপ) হবে এবং লোড সার্কিট তার প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাবে না। তাছাড়া সমস্ত সার্কিটের রেজিস্ট্যান্স এত বেড়ে যাবে যে, লোড সার্কিট দিয়ে খুব সামান্য কারেন্ট প্রবাহিত হবে। ফলে সার্কিটের লোড কাজ করবে না। তাই লোডের সাথে ভোল্টমিটার সিরিজে সংযোগ করা হয় না। ভোল্টমিটারের মূল উদ্দেশ্য হলো লোভের আড়াআড়ি ভোল্টেজ পরিমাপ করা। এ কারণে ভোল্টমিটারকে লোডের দুই প্রান্তের সাথে অর্থাৎ লোডের আড়াআড়ি সংযোগ করতে হয়।


Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার

ভোল্টমিটারের শ্রেণিবিভাগ

ভোল্টমিটার বলে । ভোল্টমিটারকে লোডের আড়াআড়িতে অর্থাৎ লোডের প্যারালালে সংযোগ করে ভোল্টেজ যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর বৈদ্যুতিক চাপ বা ভোল্টেজ সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা হয় তাকে পরিমাপ করা হয়। ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য বিভিন্ন
ধরনের ভোল্টমিটার পাওয়া যায়। শ্রেণিবিভাগ : ভোল্টমিটার প্রধানত তিন প্রকার। যথা
১। মুভিং আয়রন টাইপ (এসি এবং ডিসি উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য)
২। মুভিং কয়েল টাইপ
৩। ইন্ডাকশন টাইপ (শুধুমাত্র এসি এর ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য)

সার্কিটে ভোল্টমিটার সংযোগ করে পাঠ গ্রহণ

লোডের ভোল্টেজ অনুযায়ী ভোল্টমিটার বাছাই করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন, ভোল্ট মিটারের রেঞ্জ
অবশ্যই সাপ্লাই ভোল্টেজ-এর চেয়ে বেশি হয়। ভোল্টমিটারকে লোডের প্যারালালে সংযোগ করতে হবে।
এসি ভোল্টমিটারের ক্ষেত্রে পজিটিভ বা নেগেটিভ টার্মিনাল বিবেচনা করতে হয় না। কিন্তু ডিসি ভোল্ট
মিটারের বেলায় পজিটিভ (+ve) ও নেগেটিভ (-ve) টার্মিনাল দেখে সংযোগ করতে হয়। সাপ্লাইয়ের
পজিটিভ (+ve) তারের সাথে ভোল্টমিটারের পজিটিভ (+ve) প্রাপ্ত এবং নেগেটিভ তারের সাথে ভোল্টমিটারের নেগেটিভ প্রান্ত সংযোগ করতে হবে। সুইচের মাধমে লোডে সাপ্লাই দিয়ে মিটারের পাঠ নিতে হবে। পাঠ নেওয়ার পূর্বে মিটারের ডায়ালের ছোট ভাগ বা দাগ সংখ্যা দেখে ছোট এক ভাগের মান হিসাব করতে হবে। মিটারের কাটা যত দাগ পর্যন্ত যাবে সেই সংখ্যাকে প্রতি দাগের মান দ্বারা গুণ করলে লোডের ভোল্টেজ পাওয়া যাবে। ছোট এক ভাগের মান হিসাব করার জন্য মিটারের রেঞ্জকে মোট দাগ বা ভাগ সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে।

Avometer | Ammeter | Voltmeter | ভোল্টমিটার | Ohm meter | ওহম মিটার

অন্য পোষ্ট : Energy meter | বৈদ্যুতিক পাওয়ার কি | what is electric power

ওহম মিটার

ওহম মিটার এক প্রকার বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্র। যে মিটারের সাহায্যে কোনো অজানা রেজিস্ট্যান্স-এর মান পরিমাপ করা যায় তাকে ওহম মিটার বলে। ওহম মিটার এর সাহায্যে কোনো বৈদ্যুতিক পরিবাহীর অজানা রেজিস্ট্যাপের মান পরিমাপ করা ছাড়াও পরিবাহীর নিরবচ্ছিন্নতা বা কন্টিনিউটি পরীক্ষা করা যায়। ওহম মিটারের সাহায্যে সর্বনিম্ন ১ (এক) ওহম পর্যন্ত রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা যায়।

ওহম মিটারের সাহায্যে রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করার পদ্ধতি
ওহম মিটার দ্বারা রেজিস্ট্যান্স পরিমাণের জন্য প্রথমে ওহম মিটারের দুইটি টার্মিনালের সাথে দুইটি কানেকটিং লিড সংযোগ করতে হবে এবং সিলেক্টর সুইচকে সর্বোচ্চ রেঞ্জে রাখতে হবে। এখন কানেকটিং লিডন্বয়ের দুই প্রাপ্তকে যে পরিবাহীর রেজিস্ট্যাপ মাপতে হবে তার দুই প্রান্তের সাথে সংযোগ করতে হবে । এতে মিটারের ডায়ালে উক্ত রেজিস্ট্যান্সের মান দেখাবে। প্রয়োজনবোধে সিলেক্টর সুইচের মাধ্যমে রেঞ্জ কমিয়ে সুবিধাজনক রেজে রেখে মিটারের রিডিং নিতে হবে।

এই ওহম মিটারের ডায়ালে ডান দিকে ) এবং বাম দিকে ৫ চিহ্ন থাকে। কানেকটিং লিড দুইটিকে যখন পরস্পর স্পর্শ করানো হয়, তখন মিটারের কাঁটা বা পয়েন্টার 0 চিহ্নিত দাগে যাবে এবং যখন লিড দুইটিকে পরস্পর থেকে আলাদা করা হবে, তখন মিটারের কাঁটা বা পয়েন্টার ০ চিহ্নিত দাগে যাবে। পাওয়ার অফ অবস্থায় কোনো রেজিস্ট্যান্সের মান পরিমাপ করতে হলে ওহম মিটারের লিড দুইটিকে এর দুই প্রান্তে ধরতে হবে এবং সিলেক্টর সুইচকে ঘুরিয়ে উপযুক্ত রেঞ্জে নিয়ে মিটারের পাঠ নিতে হবে। সিঙ্গেল রেঞ্জ ওহম মিটারের সাহায্যে কোনো অজানা রেজিস্ট্যান্সের মান পরিমাপ করতে হলে মিটারের লিডদ্বয় এর দুই প্রান্তে ধরলেই মিটারের ডায়ালে রেজিস্ট্যান্সের মান দেখাবে।

সার্কিটে ওহম মিটার সংযোগ করে পাঠ নেওয়ার পদ্ধতি
ওহম মিটারের সাহায্যে কোনো অজানা রেজিস্ট্যান্সের মান পরিমাপ করতে হলে প্রথমে মিটার ঠিক আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। এজন্য ওহম মিটারের দুইটি টার্মিনালের সাথে দুইটি কানেকটিং লিড সংযোগ করতে হবে। লিডদ্বয়কে পরস্পর স্পর্শ করালে যদি কাঁটাটি শূন্য মান দেখায় তবে বুঝতে হবে যে, ওহম মিটার ঠিক আছে। সার্কিটের যে রেজিস্ট্যান্সের মান পরিমাপ করতে হবে ওহম মিটারের কানেটিং লিড দুইটিকে তার দুই প্রান্তে ধরলে এর মান মিটারের ছেলে দেখা যাবে। ওহম মিটার অনেক স্কেলের হয়ে থাকে, যেমন- ০১,০ ১০,০-১০০০-১০০০০-১০,০০০ ওহম ইত্যাদি স্কেলের। এগুলো একসঙ্গে একটি মিটারের থাকলে তাকে মাল্টিরেঞ্জ ওহম মিটার বলে।

মাল্টিরেঞ্জ ওহম মিটার দিয়ে পাঠ নেওয়ার পদ্ধতি প্রথমে ওহম মিটারের সিলেক্টর সুইচকে সর্বোচ্চ মানে রাখতে হবে। পরে প্রয়োজনবোধে সিলেক্টর সুইচকে ঘুরিয়ে কম রেঞ্জে এনে মিটারের পাঠ নিতে হবে। সিলেক্টর সুইচকে যদি 2k12 এ রাখা হয়, তবে মিটারের সম্পূর্ণ স্কেল 2k12 নির্দেশ করবে। আর যদি সিলেক্টর সুইচকে 1k52 এ রাখা হয়, তবে মিটারের সম্পূর্ণ স্কেলটি 1k52 রেজিস্ট্যান্স নির্দেশ করবে। সিলেক্টর সুইচের অবস্থান অনুযায়ী মিটারের সম্পূর্ণ স্কেলকে 2kQ বা Tk52 ধরে প্রতিটি ছোট এক ঘরের মান হিসাব করতে হবে। এখন মিটারের কানেটিং লিড দুইটিকে যে রেজিস্ট্যান্সের মান পরিমাপ করতে হবে তার দুই প্রান্তে ধরতে হবে। মিটারের কাটা যে মান নির্দেশ করবে, তাকে ছোট এক ঘরের মান দিয়ে গুণ করলে পরীক্ষাধীন রেজিস্ট্যান্সের মান পাওয়া যাবে। রেজিস্ট্যান্সের মান কিলো ওহমে নিলেও তাকে ১০০০ দিয়ে গুণ করলে ঐ মান ওহম এককে পাওয়া যায় এবং ওহম এককে মান নিয়ে তাকে ১০০০ দিয়ে ভাগ করলে কিলো ওহম এককে মান পাওয়া যাবে। বর্তমানে বাজারে ডিজিটাল ওহম মিটার পাওয়া যায়। এই ডিজিটাল ওহম মিটার দ্বারা 0 থেকে 200 কিলো ওহম পর্যন্ত রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা যায়। এ ধরনের ওহম মিটার দ্বারা রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা খুবই সহজ। ওহম মিটারের কানেকটিং লিড দুইটিকে যে রেজিস্ট্যান্সের মান নির্ণয় করতে হবে তার দুই প্রান্তে ধরলে মিটারের ডায়ালে সরাসরি ব্রিডিং পাওয়া যায়। এখানে সিলেক্টর সুইচের মাধ্যমে পাঠ (রিডিং) ওহম ও কিলো ওহম এককে নেওয়া যায়। ২০.১ নং চিত্রে ওহম মিটারের টার্মিনালের সাথে রেজিস্ট্যান্স সংযোগ করার পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।


অন্য পোষ্ট : আর্থিং কি - আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা কি - ইলেকট্রোড কি - পাইপ আর্থিং

অ্যাভোমিটার

অ্যাভোমিটার (AVO meter) :

অ্যাভোমিটার এক ধরনের বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্র যা দ্বারা বৈদ্যুতিক কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স
পরিমাপ করা যায়। অ্যাভোমিটারকে মাল্টিমিটারও বলা হয়। কারণ এই মিটার দ্বারা একাধিক ধরনের পরিমাপ নির্ণয় করা যায়। AVO বলতে A তে অ্যাম্পিয়ার (Ampere); V তে ভোল্ট (Volt) এবং O তে ওহম (ohm) বোঝায়। এই মিটার দ্বারা অ্যাম্পিয়ার, ভোল্ট ও ওহম পরিমাপ করা যায় বলেই এর নাম দেওয়া হয়েছে AVO (অ্যাভো) মিটার। অর্থাৎ এই মিটার দ্বারা কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা যায় ।

অ্যাভোমিটারের ব্যবহার

অ্যাডোমিটার এক বিশেষ ধরণের বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্র। যেখানে অল্প পরিমাণের বৈদ্যুতিক কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যাব্দ পরিমাপ করার প্রয়োজন হয়, সেখানে এই মিটার ব্যবহার করা হয়। যেমন ওয়ার্কশপ বা কারখানায়; গবেষণাগারে, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি মেরামত করার দোকান ইত্যাদি জায়গায় এই মিটার ব্যবহার করা হয়। ইলেকট্রনিকস সার্কিটে বিভিন্ন অংশের মধ্যে কন্টিনিউটি পরীক্ষা করার জন্য এই মিটার ব্যবহার করা হয়।

অ্যাডোমিটারের মোড ও রেঞ্জ সিলেকশন ও পাঠ নেওয়ার পদ্ধতি
অ্যাডোমিটারের সাহায্যে কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করার জন্য প্রথমে মোড সিলেকশন করতে হয় অর্থাৎ কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য সিলেক্টরকে Current A/C (~) বা Current D/C (-) এর ঘরে নিতে হবে; রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হলে সিলেক্টরকে রেজিস্ট্যান্স (52) এর ঘরে নিতে হবে। ভোল্টেজ পরিমাপের ক্ষেত্রে সিলেক্টরকে Voltage A/C বা Voltage D/C এর ঘরে নিতে হবে। রেঞ্জ সিলেকশনের ক্ষেত্রে সব সময়ই রেঞ্জ প্রথমে সর্বোচ্চ মানে রাখতে হবে। এবার মিটার যথাযথ নিয়মে সংযোগ করে রেঞ্জ প্রয়োজনমতো কমিয়ে পাঠ নিতে হবে।

আজকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের অ্যাডোমিটার পাওয়া যায়। কানেকটিং লিড লাগানোর জন্য কোনোটিতে ৩টি আবার কোনোটিতে ৪টি জ্যাক (Jack) থাকে। ২ জ্যাক বিশিষ্ট অ্যাভোমিটারে '+' চিহ্নিত জ্যাকে লাল রং এর লিড এবং —– চিহ্নিত জ্যাকে কালো রং-এর লিড সংযোগ করতে হয়। লাল লিডকে ফেজ এবং কালো লিডকে নিউট্রাল হিসাবে সূচিত করা হয় (D/C এর ক্ষেত্রে)।

৩ জ্যাক বিশিষ্ট অ্যাভোমিটারের জ্যাকগুলি যথাক্রমে COM, V/52, mA চিহ্নে চিহ্নিত থাকে। কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের সময় কালো লিডকে COM ল্যাকে সংযোগ করতে হবে এবং ভোল্টেজ পরিমাপের সময় লাল লিডকে V/S চিহ্নিত জ্যাকে সংযোগ করতে হবে। কারেন্ট পরিমাপের সময় লাল লিডকে mA চিহ্নিত জ্যাকে সংযোগ করতে হবে।
৪ জ্যাক বিশিষ্ট অ্যাডোমিটারকে ৩ জ্যাক বিশিষ্ট অ্যাভোমিটারের মতোই ব্যবহার করতে হয়। শুধু কারেন্ট 200mA এর বেশি হলে লাল লিডকে 10A জ্যাকে সংযোগ করতে হবে। বর্তমান বাজারে ডিজিটাল অ্যাডোমিটারও পাওয়া যায়। ডিজিটাল অ্যাভোমিটার ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। ডিজিটাল অ্যাডোমিটার সরাসরি রিডিং বা পাঠ নেওয়া যায়।
ডিজিটাল অ্যাডোমিটার দ্বারা কারেন্ট, ভোল্টেজ বা রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করতে হলে সিলেক্টর সুইচকে প্রয়োজনমতো কারেন্ট, ভোল্টেজ বা রেজিস্ট্যান্সের ঘরে নিতে হবে এবং সিলেক্টর সুইচকে সর্বোচ্চ রেঞ্জে রেখে কারেন্ট পরিমাপের ক্ষেত্রে অ্যামমিটারের মতো, ভোল্টেজ পরিমাপের ক্ষেত্রে ভোল্টমিটারের মতো এবং রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের ক্ষেত্রে ওহম মিটারের মতো সংযোগ করলেই ডিজিটাল ডায়ালে সরাসরি রিডিং পাওয়া যাবে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url