Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect

 Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect

Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect

Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect

বিদ্যুৎ সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা

ইলেকট্রন থিওরি

অণু ও পরমাণুর সংজ্ঞা :

অণু : পৃথিবীর সকল পদার্থই কতগুলি ক্ষুদ্র কণার সমষ্টি মাত্র। এ কণার নামই অণু। মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের যে ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলি অক্ষুণ্ণ রেখে স্বাধীনভাবে বিরাজ করতে পারে, তাকে ঐ পদার্থের অণু বলা হয় । অণুসমূহ খালি চোখে দেখা যায় না। পদার্থের অণুতে ঐ পদার্থের গুণাবলি বিদ্যমান থাকে। বিভিন্ন পদার্থের অণুতে পরমাণুর সংখ্যাও বিভিন্ন হয়। পানির অণুতে পানির সকল গুণ বিদ্যমান থাকে। যেমন- ২টি হাইড্রোজেন পরমাণু এবং ১টি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা পানির ১টি অণু গঠিত হয়। অনুরূপভাবে, একটি নাইট্রোজেন পরমাণু এবং তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে একটি অ্যামোনিয়ার অণু গঠন করে।

পরমাণু অণুর ক্ষুদ্রতম কণাই পরমাণু। কোনো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ যার মধ্যে ঐ মৌলের বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ থাকে, যা স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে না কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে তাকে ঐ মৌলের পরমাণু বলা হয়। সাধারণত একটি মৌলিক পদার্থ একই ধরনের অসংখ্য পরমাণু দিয়ে গঠিত। তবে, ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু দিয়ে গঠিত হাইড্রোজেনের একটি অণুতে হাইড্রোজেনের ২টি পরমাণু এবং অক্সিজেনের একটি অণুতে অক্সিজেনের ২টি পরমাণু থাকে। পরমাণুকে ভাঙলে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন নামক অতি ক্ষুদ্র কণিকা পাওয়া যায়।


অন্য পোষ্ট : আইপিএস - ইউপিএস - ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার - কুকার - শর্ট সার্কিট কি

পরমাণুর গঠন :

প্রাচীনকালে ধারণা ছিল পরমাণু অবিভাজ্য। কিন্তু কালক্রমে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে পরমাণু বিভাজ্য। এটি সূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি । পদার্থের ৩টি ক্ষুদ্র কণিকা হচ্ছে (ক) ইলেকট্রন, (খ) প্রোটন ও (গ) নিউট্রন।
সৌরজগতের সাথে পরমাণুর গঠন তুলনা করা যায়। সৌরজগতের কেন্দ্র যেমন সূর্য, তেমনি পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলা হয়। নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। ইলেকট্রন বাইরের কক্ষপথে অবস্থান করে। প্রতিটি পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে। ইলেকট্রন বা প্রোটনের সংখ্যাই পারমাণবিক সংখ্যা। প্রোটনের সংখ্যা ও নিউট্রনের সংখ্যার সমষ্টি দ্বারা পারমাণবিক ওজন নির্ণয় করা হয়। কোনো কক্ষপথে পরমাণুর কয়টি ইলেকট্রন থাকবে তা নির্ণয় করার জন্য E=2n2 সুত্রটি ব্যবহার করা হয়। এখানে n হলো কক্ষপথের সংখ্যা বা number এবং E হলো মোট ইলেকট্রন সংখ্যা। উদাহরণস্বরূপ- ১ম কক্ষপথের জন্য n=1; E = 2 × 12 = 2 × 1 = 2

২য় কক্ষপথের জন্য n = 2; E= 2 × 2 = 2 ×4 = 8 ৩য় কক্ষপথের জন্য n = 3; E = 2 x 32 = 2 x 9 = 18

তবে যে কোনো পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষে ৮টির বেশি ইলেকট্রন থাকবে না এবং যে কোনো কক্ষে ১৮টির
বেশি ইলেকট্রন থাকবে না।

ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের বৈশিষ্ট্য :

ইলেকট্রন (Electron) : ইলেকট্রন হচ্ছে পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা বা নিউক্লিয়াসের চারদিকে কক্ষপথে
ঘুরে এবং নেগেটিভ চার্জ বহন করে। ইলেকট্রনের সংকেত e। এর ভর 9.1x1031 কেজি; বিদ্যুৎ মাত্রা -4.8029×10-10 ইএসইউ(ESU) এবং ব্যাসার্ধ 1.4×10-15 মিটার (প্রায়)।
প্রোটন প্রোটন হচ্ছে পরমাণুর একটি ক্ষুদ্রতম কণিকা যা পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। প্রোটন ধনাত্মক চার্জ বহন করে, যার ভর 1.673×10-27 কেজি, বিদ্যুৎত্মাত্রা +4.8029×10 10 ইএসইউ এবং ব্যাসার্ধ 1.4x10-15 মিটার (প্রায়)।
নিউট্রন (Neutron) : নিউট্রন হচ্ছে বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ একটি ক্ষুদ্রতম কণিকা যা পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে । এর ভর 1.673×10-27 কেজি এবং ব্যাসার্ধ 1.4×10-15 মিটার (প্রায়)। পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলে। প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা নিউক্লিয়াস গঠিত। পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রনের ভর সমান থাকে। পরমাণুর ইলেকট্রন বা প্রোটনের সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা এবং প্রোটন বা নিউট্রনের ভরকে পারমাণবিক ভর বলা হয়।

Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect


অন্য পোষ্ট : সেল ও ব্যাটারির পরিচিতি - ব্যাটারি - সেল কাকে বলে - ড্রাই সেল কাকে বলে

ইলেকট্রিসিটি (বিদ্যুৎ)
ইলেকট্রিসিটি

ইলেকট্রিসিটি হচ্ছে এক প্রকার শক্তি, যা আমরা চোখে দেখতে পাই না কিন্তু এর প্রভাব অনুভব করতে পারি তড়িৎ বা বিদ্যুতের ইংরেজি নাম হচ্ছে ইলেকট্রিসিটি। ইলেকট্রনের প্রবাহকে ইলেকট্রিসিটি বলে (Flow of electron is called electricity) |

ইলেকট্রিসিটির বা বিদ্যুতের শ্রেণি বিভাগ ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ দুই প্রকার। যথা- (ক) স্থির বিদ্যুৎ; (খ) চল বিদ্যুৎ।
(ক) স্থির বিদ্যুৎ : যে বিদ্যুৎ সাধারণত জন্মস্থানেই অবস্থান করে, কোনো স্থান পরিবর্তন করে না তাকে স্থির বলে । যেমন— দুইটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, তাই স্থির বিদ্যুৎ। রবারের চিরুনি দিয়ে শুকনা চুল আঁচড়ালে সেই চিরুনিতে স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়; ফ্লানেল কাপড় দিয়ে কাচের দণ্ডকে ঘর্ষণ করলে তাতেও স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। তবে এইভাবে উৎপন্ন স্থির বিদ্যুৎ ক্ষণস্থায়ী।

(খ) চল বিদ্যুৎ : যে বিদ্যুৎ এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়, তাকে চল বিদ্যুৎ বলে । রূপান্তরিত প্রক্রিয়ার সাহায্যে তেল, গ্যাস বা কয়লা পুড়িয়ে অথবা পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে চল বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় চল বিদ্যুৎ আবার দুই প্রকার। যথা- (১) ডিসি (ডাইরেক্ট কারেন্ট); (২) এসি (অল্টারনেটিং কারেন্ট)।
(১) ডিসি : যে কারেন্ট সব সময় একই দিকে প্রবাহিত হয় এবং যার মান নির্দিষ্ট থাকে, তাকে ডাইরেক্ট
কারেন্ট বলে । এই কারেন্ট সরল রেখার মতো প্রবাহিত হয়

(২) এসি : যে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় নির্দিষ্ট নিয়ম মতো দিক পরিবর্তন করে এবং যার মান প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তনশীল থাকে, তাকে অল্টারনেটিং কারেন্ট বা এসি বলে ।

Electron theory | Atomic structure | Physiological Effect


ইলেকট্রিসিটির বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া

ইলেকট্রিসিটির বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া নিম্নরূপ :
(ক) তাপীয় প্রতিক্রিয়া (Heating Effect): কোনো পরিবাহীর ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে
তাতে তাপ উৎপন্ন হয় । ফলে ঐ পরিবাহী গরম হয়। যেমন বৈদ্যুতিক বাতি, হিটার ইত্যাদি এর উদাহরণ । (খ) চুম্বকীয় প্রতিক্রিয়া (Magnetic Effect) : কোনো বৈদ্যুতিক তারের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তা সোজা বার বা জড়িয়ে কয়েল করাই হোক- তাতে চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা, ডাইনামো, বৈদ্যুতিক মোটর ইত্যাদি এর উদাহরণ।


অন্য পোষ্ট : কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit

ইলেকট্রিসিটি (বিদ্যুৎ)

(গ) জীব-শরীরের উপর ক্রিয়া (Physiological Effect) : জীব-শরীরের ভিতর দিয়ে ইলেকট্রিসিটি গেলে তাতে এক রকম যন্ত্রণা অনুভব হয়, যাকে আমরা ইলেকট্রিক শক বলি। ইলেকট্রিক শকের ফলে অনেক সময় মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণী মারাও যায় ।

(ঘ) রাসায়নিক ক্রিয়া (Chemical effect): এসিড মিশ্রিত পানিতে বিদ্যুৎ চালনা করলে পানির দুইটি গ্যাসীয় উপাদান হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে বিভক্ত হয়। ইলেকট্রোপ্লেটিং রাসায়নিক ক্রিয়ার আর একটি উদাহরণ ।

পরিবাহী ও অপরিবাহী

বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ ৩.১। বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের সংজ্ঞা
বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ যে সকল পদার্থের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে প্রবাহিত হয় সেগুলোই বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ। অন্যভাবে বললে, যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে অতি সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে এবং সামান্য পরিমাণ বাধার সম্মুখীন হয় সেগুলোকে বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ বলে। এগুলোর পরিবাহিতা বা
কন্ডাকট্যাপ অধিক। যেমন রুপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, লোহা ইত্যাদি বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ।
বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ : পরিবাহী পদার্থের যে সমস্ত গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন তা হচ্ছে

১. উচ্চ পরিবাহিতা (Conductivity) বা সর্বনিম্ন রেজিসটিভিটি ২. সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সহগ (Low temperature coefficient)
৩. যথেষ্ট পরিমাণে নমনীয়তা (Flexibility)
৪. টান সহন ক্ষমতা (Drawability)
৫. ওয়েল্ডিং বা সোল্ডারিং করার উপযুক্ততা
৬. মরিচা প্রতিরোধ ক্ষমতা।

বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের তালিকা

(১) রুপা (Silver)
(২) তামা (Copper)
(৩) স্বর্ণ (Gold)
(8) সস (Lead)
(৫) টাংস্টেন (Tungstan)
(৬) দত্ত (Zink)
(৭) ক্যাডমিয়াম (Cadmium)
(৮) ব্রোঞ্জ (Bronze)
(৯) পিতল (Brass)
(১০) লৌহ (Iron)
(১১) প্লাটিনাম কোমলায়িত (Platinum annealed)
(১২) রাং (Tin)
(১৩) নিকেল (Nickel)
(১৪) ক্রোমিয়াম (Chromium )
(১৫) ইস্পাত (Steel)
(১৬) অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium )
(১৭) প্লাটিনয়েড (Platinaid),
(১৮) পারদ (Mercury),
(১৯) ম্যাঙ্গানিজ (Manganige)
(২০) নাইক্রোম (Nichrome)
(২১) কার্বন (Carbon)
(২২) ফসফর (Phosphor bronze)
(২৩) অ্যান্টিমনি (Antimony)
(২৪) রুপা ও তামার সংকর (Silver copper alloy) (২৫) কনস্ট্যানটান (Constantan)
(২৬) ক্যালিডো (Calido)
(২৭) সিলিক্রোম (Silichrom)

বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ

বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থের সংজ্ঞা
বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে না, যথেষ্ট 2 বাধার সম্মুখীন হয়, তাকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ বলে। এদের পরিবাহিতা বা কন্ডাকট্যান্স কম। যেমন- কাঁচ, চীনামাটি, শুষ্ক কাঠ, এবোনাইট, রাবার ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ।

বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থের গুণ বা বৈশিষ্ট্য
বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থের যে সমস্ত গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন, তা হচ্ছে
ক. উচ্চ ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স
খ. উচ্চ ডাই ইলেকট্রিক স্ট্রেংথ
গ. নিম্ন ডাই ইলেকট্রিক হিসটেরিসিস
ঘ. ক্ষয়রোধ ক্ষমতা বা স্থায়িত্ব
ঙ. যান্ত্রিক সহন ক্ষমতা বা মেকানিক্যাল স্ট্যাংথ
চ. বাতাসের আর্দ্রতা শোষণে অক্ষমতা।


অন্য পোষ্ট : ক্যাপাসিটর - ক্যাপাসিটর কাকে বলে - ক্যাপাসিটর কি - ক্যাপাসিট্যান্স কাকে বলে

বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থের তালিকা

১. অ্যাসবেসটরস
২. ব্যাকেলাইট
৩. এবোনাইট
৪. কাঁচ
৫. গাট্টা পাৰ্চা,
৬. অভ্র,
৭. শুষ্ক কাগজ
৮. শ্লেট পাথর
৯. শুদ্ধ মাঠ,
১০. বার্নিশ করা মিহি কাপড়,
১১. তেল,
১২. শুকনো চামড়া
১৩. পশম,
১৪. রেশন,
১৫. পলিখিন
১৬. প্যারাফিন;
১৭. রাবার,
১৮. মার্বেল পাথর,
১৯. গন্ধক,
২০. রঞ্জন
২১. চীনামাটি,
২২. বাতাস।

বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থের ব্যবহার

পদার্থের নাম ও ব্যবহার

১. মাইকা : এটি ডাই-ইলেকট্রিক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ছোট ক্যাপাসিটরের এবং হিটিং এলিমেন্টের সাথে ব্যবহার করা হয়।

২. গ্লাস :  এটি ওভার হেড লাইনে ইনস্যুলেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়। গ্লাস ট্যাপ ও গ্লাস কাপড়, সূক্ষ্ম গ্লাস সুতা হতে তৈরি হয়। এছাড়া গ্লাস ফাইবার ও মোটর ওয়াইন্ডিং-এ এটি ব্যবহার করা হয়।

৩. রাবার :  রাবার দ্বারা ডিআইআর ইনসুলেশন তৈরি করা হয় এবং এই ইনসুলেশন নিম্ন ভোল্টেজ এবং মাঝারি ভোল্টেজের ক্যাবল তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়।

৪. কাগজ : এটি খুব ভালো ইনসুলেশন। এটি ক্যাবলের ইনসুলেশন রূপে, মোটর ওয়েল্ডিং-এ এবং ক্যাপাসিটরে ব্যবহার করা হয়।

৫. এসবেস্টস : এটি আর্কটার্ট, বেড়া, লো-ভোল্টেজ টার্মিনাল বোর্ড এবং সাপোর্ট হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গরম জায়গার আবরণ হিসাবেও ব্যবহার করা হয়। এটি আঁশযুক্ত পদার্থ।

৬. তেল : ট্রান্সফরমার, সার্কিট ব্রেকার ও হাই ভোল্টেজ ক্যাবলকে ঠান্ডা করার জন্য তেল ব্যবহার করা হয়। খনিজ তেল ট্রান্সফরমার ও সার্কিট ব্রেকারে-এ ইনসুলেশন হিসাবেও কাজ করে।
৭. ব্যাকেলাইট : ইহা সিনথেটিক রেসিন দ্বারা তৈরি। এটি দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতির বেঞ্জ এবং বোর্ড তৈরি করা হয়। যেমন- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, প্লাগ, সিলিং রোজ ইত্যাদি।

৮. পলিভিনাইল ক্লোরাইড : এটি প্লাস্টিকের তৈরি। এটি তারের আবরণ, ইনসুলেটিং স্লিভ এবং ক্যাবলে স্লিভ হিসাবে ক্লোরাইড ব্যবহৃত হয়। এটাকে ভিআইআর ইনসুলেশনের পরিবর্তেও ব্যবহার করা যায়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url