কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit

 কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit

কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit


কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit

কারেন্ট

কোনো পরিবাহীর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদ দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ চার্জ প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বা কারেন্ট বা ইলেকট্রিক কারেন্ট বলে। অন্য কথায় পরিবাহীর ভিতর দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহকে ইলেকট্রিক কারেন্ট বা বৈদ্যুতিক কারেন্ট বলে। ইলেকট্রিক কারেন্টের পরিবর্তে প্রচলিত শব্দ কারেন্টই ব্যবহৃত হয়।

ইলেকট্রিক কারেন্টের একক ও প্রতীক

ইলেকট্রিক কারেন্টকে সাধারণত ইংরেজি অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কারেন্ট পরিমাপের অনেক একক প্রচলিত আছে। যথা
ক) সিজিএস বিদ্যুৎ একক
খ) সিজিএস বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক
গ) ব্যবহারিক একক
ঘ) আন্তর্জাতিক একক।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যে একক ব্যবহৃত হয়, তাকে আন্তর্জাতিক একক বা S.I একক বলে। কারেন্ট
পরিমাপের আন্তর্জাতিক বা S.I একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে সচরাচর যে একক ব্যবহৃত হয়, তাকে ব্যবহারিক একক বলে। কারেন্টের ব্যবহারিক একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার।
1 অ্যাম্পিয়ার = 1 কুলম্ব/সেকেন্ড = 6.242 × 108 টি ইলেকট্রন/সেকেন্ড ।
অন্য কথায়, কোনো একটি পরিবাহীর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে 1 সেকেন্ডে 1 কুলম্ব চার্জ অতিক্রম করলে যে কারেন্ট মাত্রার সৃষ্টি হয় তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। অ্যাম্পিয়ার (Ampere) কে সংক্ষেপে Amp বা A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

অন্য পোষ্ট : ফ্রিকোয়েন্সি কাকে বলে | পাওয়ার ফ্যাক্টর কি |বৈদ্যুতিক মিটার | AC circuit

ইলেকট্রিক কারেন্টের শ্রেণিবিভাগঃ

ইলেকট্রিক কারেন্ট দুই প্রকার। যথা: (ক) অল্টারনেটিং কারেন্ট (খ) ডাইরেক্ট কারেন্ট । অল্টারনেটিং কারেন্ট : যে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় নির্দিষ্ট নিয়মমতো দিক পরিবর্তন করে এবং যার মান প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তনশীল থাকে, তাকে অল্টারনেটিং কারেন্ট বলে।

১। ডাইরেক্ট কারেন্ট :

যে কারেন্ট সব সময় একই দিকে প্রবাহিত হয় এবং যার মান নির্দিষ্ট থাকে, তাকে ডাইরেক্ট কারেন্ট বলে। এর পজেটিভ ও নেগেটিভ পোলারিটি সব সময় অপরিবর্তিত থাকে। যেমন :
ব্যাটারির কারেন্ট।

ইলেকট্রিক কারেন্ট পরিমাপের বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক

২। কারেন্টের এককসমূহ :

কারেন্ট মাত্রার চারটি একক আছে। যথা
১। সিজিএস বিদ্যুৎ একক (CGS esu):
১ স্থির বিদ্যুৎ একক (1 esu) = 3.33 x 10-10 অ্যাম্পিয়ার।
২। সিজিএস বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক (cgs emu)
১ বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক (1emu) = 10 অ্যাম্পিয়ার।

৩। ব্যবহারিক একক :

অ্যাম্পিয়ার। পরিমাপের সুবিধার জন্য বড় একক হিসাবে কিলো অ্যাম্পিয়ার ব্যবহার করা হয়। 1 কিলো অ্যাম্পিয়ার = 103 অ্যাম্পিয়ার। এটি ছাড়াও মিলি-অ্যাম্পিয়ার অর্থাৎ 10* অ্যাম্পিয়ার এবং মাইক্রো অ্যাম্পিয়ার অর্থাৎ 10° অ্যাম্পিয়ারকে কারেন্ট মাত্রার একক হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit


৪ । আন্তর্জাতিক একক:

কারেন্ট মাত্রার আন্তর্জাতিক এককের নাম আন্তর্জাতিক অ্যাম্পিয়ার। আন্তর্জাতিক একক হিসাবে অ্যাম্পিয়ার ব্যবহৃত হয়। অন্য কথায়, যে স্থির কারেন্ট মাত্রা সিলভার ভোল্টমিটারে সিলভার নাইট্রেট দ্রবণের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভোল্টমিটারের ক্যাথোডে সেকেন্ডে 0.001118 গ্রাম সিলভার সঞ্চয় করে, তাকে এক আন্তর্জাতিক অ্যাম্পিয়ার বলে।

অন্য পোষ্ট : চ্যানেল ওয়্যারিং করার পদ্ধতি - ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং - চ্যানেল ওয়্যারিং

ভোল্টেজ

ভোল্টেজ
পরিবাহী তারের মধ্যে ইলেকট্রন প্রবাহিত করানোর জন্য যে ফোর্স বা চাপ প্রয়োগ করা হয় তাকে ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক চাপ বলে। অন্য কথায় কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যে বিভব বা পটেনশিয়ালের পার্থক্যকেই ভোল্টেজ বা বৈদ্যুতিক চাপ বলে। ইলেকট্রন গ্রহণ বা প্রদান করার প্রবণতা এক বস্তুর তুলনায় অপর বস্তুর কত কম বা বেশি তা ভোল্টেজ দ্বারা পরিমাপ করা হয়।

ভোল্টেজের প্রতীক ও একক

ভোল্টেজ এর প্রতীক :
ভোল্টেজ এর প্রতীক ‘V’ বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ একটি পরিমাণমূলক রাশি। সুতরাং এর একক আছে। বৈদ্যুতিক ভোল্টেজের তিনটি একক আছে; যথা—
(ক) স্থির বিদ্যুৎ একক ।
(খ) বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক।
(গ) ব্যবহারিক একক।

ভোল্টেজ পরিমাপের বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক

১. স্থির বিদ্যুৎ একক : একে সংক্ষেপ ইএসইউ (e.s.u) বলা হয় । 1 c.su = 300 ভোল্ট = 3 x 1010 ইএমইউ ।
২. বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় একক : 1 ইএমইউ = 10* ভোল্ট।
৩. ব্যবহারিক একক : ভোল্টেজের ব্যবহারিক একক ভোল্ট। অসীম দূরত্ব হতে 1 কুলম্ব ধনাত্মক চার্জকে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের ভিতরের কোনো বিন্দুতে আনতে যদি 1 জুল কাজ করতে হয় তবে ঐ বিন্দুর বিভবকে 1 ভোল্ট বলে । একে ভোল্টেজের আন্তর্জাতিক একক বা এসআই একক বলে। তাছাড়া, বেশি ভোল্টেজ পরিমাপের ক্ষেত্রে কিলোভোল্ট ও মেগাভোল্ট ব্যবহারিক একক হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 1 কিলোভোল্ট = 103 ভোল্ট এবং 1 মেগাভোল্ট = 100 ভোল্ট
আন্তর্জাতিক ভোল্ট: 20 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ওয়েস্টন ক্যাডমিয়াম স্ট্যান্ডার্ড সেলের বিদ্যুৎচালক বলের (emf) 1.0183 অংশকে আন্তর্জাতিক হিসাবে এক ভোল্ট ধরা হয় ।
সুতরাং 1 আন্তর্জাতিক ভোল্ট = 1.00033 ভোল্ট।

রেজিস্ট্যান্স

রেজিস্ট্যান্স হচ্ছে পরিবাহীর একটি বিশেষ ধর্ম। পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হয় বা বাঁধাপ্রাপ্ত হয়, তাকে রেজিস্ট্যান্স বা রোধ বলে। প্রত্যেক পদার্থেই কম বেশী রেজিস্ট্যান্স বা
রোধ আছে।

রেজিস্ট্যান্স-এর সংজ্ঞা, প্রতীক ও একক

রেজিস্ট্যান্স :
পরিবাহীর যে ধর্ম এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে তাকে রেজিস্ট্যান্স বা রোধ বলে। ওহমের সূত্রানুযায়ী, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য এবং প্রবাহ মাত্রার অনুপাতকে ঐ তাপমাত্রায় উক্ত পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স বা রোধ বলে। একে সাধারণত 'R' বা 'r' দ্বারা ব্যক্ত করা হয়।

কারেন্ট | what is voltage | Resistance | Electrical circuit | Series circuit

রেজিস্ট্যান্সের একক

রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের বিভিন্ন প্রকার একক প্রচলিত আছে। যেমন
ক) স্থির বিদ্যুৎ একক (esu)
খ) সিজিএস বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক (emu)
গ) ব্যবহারিক একক
(ঘ) আন্তর্জাতিক একক
রেজিস্ট্যান্সের ব্যবহারিক একক ওহম। কোনো একটি স্থির পরিবাহীর দুই প্রান্তে 1 ভোল্ট বিভব পার্থক্য থাকলে যদি এর মধ্য দিয়ে 1 অ্যাম্পিয়ার মাত্রার কারেন্ট চলে তবে উক্ত পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্সকে এক ওহম বলে। অন্য কথায় বলা যায়, এক ভোল্ট বৈদ্যুতিক চাপে যে পরিমাণ রেজিস্ট্যান্সের ভিতর দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে, ঐ পরিমাণ রেজিস্ট্যান্সকে এক ওহম রেজিস্ট্যান্স বলে।
একে (ওমেগা) চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে ওহম ছোট হওয়ায় কিলোওহম ও মেগাওহম ইত্যাদি বড় একক ব্যবহার করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্সের যে একক ব্যবহার করা হয়, তাকে আন্তর্জাতিক ওহম বা আন্তর্জাতিক
একক বলে। | আন্তর্জাতিক ওহম = 1.000495 ওহম।

রেঞ্জসহ রেজিস্ট্যান্সের শ্রেণিবিভাগ রেজিস্ট্যান্সকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
(ক) নির্দিষ্ট মানের রেজিস্ট্যান্স
(খ) পরিবর্তনীয় মানের রেজিস্ট্যান্স।


অন্য পোষ্ট : সার্কিট ব্রেকার - সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে - বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং কাকে বলে

নির্দিষ্ট মানের রেজিস্ট্যান্স:

যে রেজিস্ট্যান্স-এর মান পরিবর্তন করা যায় না, তাকে নির্দিষ্ট মানের রেজিস্ট্যান্স বলে। এই রেজিস্ট্যান্স আবার চার প্রকার। যথা
(১) কার্বন রেজিস্টর :
কার্বন রেজিস্টর আকারে খুব ছোট। এই রেজিস্টর সাধারণত ১ ওহম হতে ২ মেগা ওহম পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ১/৮ হতে ২ ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে।
(২) মেটাল রেজিস্টর এই রেজিস্টর কার্বন রেজিস্টরের চেয়ে একটু বড় এবং এদের ওয়াট সাধারণত ০.১ হতে ১০ হয়ে থাকে।
(৩) ওয়্যার উত্ত রেজিস্টর যে সমস্ত রেজিস্টর রেজিস্ট্যান্স জাতীয় তার কয়েল করে তৈরি করা হয়, সেগুলিকে ওয়্যার উদ্ভ রেজিস্টর বলে। সাধারণত চীনামাটি, নাইক্রোম, জার্মান সিলভার ইত্যাদি তারের কয়েল করে এই রেজিস্টর তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত কম ওহমের হয় এবং ওয়াট ৫ হতে ২০০ পর্যন্ত হয়।

(৪) ব্যালাস্ট রেজিস্টর যে সমস্ত রেজিস্টরের তার বিশেষ আবরণের মধ্যে থাকে, যাতে ঐ তারের উপর বাইরের কোনো বস্তু স্পর্শ করতে না পারে, তাদেরকে ব্যালাস্ট রেজিস্টর বলে। এই রেজিস্টর বিভিন্ন মানের হয়ে থাকে।

পরিবর্তনীয় মানের রেজিস্ট্যান্স:

যে রেজিস্ট্যান্সের মান প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করা যায়, তাকে পরিবর্তনীয় মানের রেজিস্টর বলে। এই রেজিস্টর সাধারণত ভলিউম কন্ট্রোলের ভিতরে ব্যবহার করা হয়।
রেজিস্ট্যান্স পরিমাপের বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক রেজিস্ট্যান্সের এককসমূহ রেজিস্ট্যান্সের চারটি একক আছে। যথা—
১. স্থির বিদ্যুৎ একক (esu) এক স্থির বিদ্যুৎ একক (1 esu) = 9 × 102 বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক(emu)
২. সিজিএস বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক :
এক বিদ্যুৎ চুম্বকীয় একক (1emu) = 9×10-20 হর বিদ্যুৎ একক (esu)
৩. ব্যবহারিক একক রেজিস্ট্যান্সের ব্যবহারিক একক ওহম। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে ওহম ছোট সাধারণত কিলোওহম এবং মেগাওহম ব্যবহার করা হয়। 1 কিলোওহম = 10 ওহম এবং 1 মেগাওহম = 10 ওহম =

৪. আন্তর্জাতিক একক 0°C তাপমাত্রায় ১ বর্গমিটার ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট 106.3 সে.মি. দৈর্ঘ্য এবং 14.4521 গ্রাম ভরের একটি পারদ স্তষ্কের রেজিস্ট্যান্সকে আন্তর্জাতিক একক বা আন্তর্জাতিক ওহম বলে। | আন্তর্জাতিক ওহম = 1.000495 ওহম।

বৈদ্যুতিক সার্কিট

কোনো বৈদ্যুতিক উৎসের সঙ্গে পরিবাহী, সুইচ, লোড ইত্যাদি সংযোগ করে সার্কিট তৈরি করা হয়। বিদ্যুৎ কোনো উৎস হতে বের হয়ে পরিবাহী, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সুরক্ষা ব্যবস্থা, লোড প্রভৃতির ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় উৎসে ফিরে আসার পথকে সার্কিট (Circuit) বলে। একে সংক্ষেপে Ckt বলে ।

আদর্শ বৈদ্যুতিক সার্কিট এবং এর মূল উপাদানসমূহ আদর্শ সার্কিট :

যে সার্কিটে বৈদ্যুতিক উৎস, পরিবাহী (তার), সুরক্ষা যন্ত্র, লোড এবং নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস-এ ৫টি উপাদান বিদ্যমান থাকে তাকে আদর্শ সার্কিট বলে ।

আদর্শ সার্কিটের উপাদানসমূহ :

একটি আদর্শ সার্কিটে নিম্নলিখিত ৫টি উপাদান বিদ্যমান থাকে। যথা

১. বৈদ্যুতিক সোর্স বা উৎস : সাধারণ ব্যাটারি, জেনারেটরের ইত্যাদি।
2. লোড : বাতি, পাখা, হিটার, ইস্ত্রি, ফ্রিজ, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি ।
৩. পরিবাহী : বিভিন্ন প্রকার তার, ক্যাবল।
8. নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র : সুইচ।
৫. সুরক্ষাযন্ত্র ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার, রিলে ইত্যাদি।
উপরোক্ত উপাদানসমূহের সব কটি না থাকলেও হতে পারে, তবে তাকে সার্কিট বলা যায় না

বৈদ্যুতিক সার্কিটের প্রকারভেদ

বৈদ্যুতিক লোডের সংযোগ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে সার্কিট তিন প্রকার। যথা
(১) সিরিজ সার্কিট,
(২) প্যারালাল সার্কিট,
(৩) সিরিজ ও প্যারালাল মিশ্র সার্কিট ।

সিরিজ সার্কির্টের চিত্র অঙ্কন:

চিত্রে একটি সিরিজ সংযোগ দেখানো হলো। এখানে R1, R2, এবং R, তিনটি রেজিস্ট্যান্সকে সিরিজে সংযোগ করা হয়েছে। রেজিস্ট্যান্সের সিরিজ সংযোগের গুরুত্ব রেজিস্ট্যান্সের সিরিজ সংযোগ খুব বেশি ব্যবহৃত না হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। যেমন

(ক) আলোকসজ্জার কাজে সিরিজ সংযোগ ব্যবহার করা হয়।
(খ) কম ভোল্টোজের সরঞ্জামাদিকে বেশি ভোল্টেজের সাপ্লাইয়ে সংযোগ করার সময় রেজিস্ট্যান্সের সিরিজ ব্যবহার করা হয়।
(গ) কোনো বৈদ্যুতিক লোডের কারেন্ট প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইহার সাথে রেজিস্ট্যান্সের সিরিজ সংযোগ
সংযোগ ব্যবহার করা হয়।


অন্য পোষ্ট : ফ্যারাডের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন সূত্র - সার্কিট ব্রেকার - ট্রান্সফরমার কাকে বলে

সিরিজ সার্কিটের বৈশিষ্ট্য

নিম্নে সিরিজ সার্কিটের বৈশিষ্ট্যসমূহ দেওয়া হলো
১। কারেন্ট : সিরিজ সার্কিটের প্রতিটি রেজিস্ট্যান্সের কারেন্ট সমান। অর্থাৎ সার্কিটের প্রতিটি রেজিস্টান্সে কারেন্ট একই থাকে।

২। রেজিস্ট্যান্স : সিরিজ সার্কিটের মোট রেজিস্ট্যান্স ভিন্ন ভিন্ন সংযুক্ত রেজিস্ট্যান্সের মানের যোগফলের
সমান । • R = R2 + R2 + R3 + + Rn.

৩। ভোল্টেজ: সিরিজ সার্কিটের সরবরাহ ভোল্টেজ, ঘাটতি ভোল্টেজগুলির যোগাফলের সমান। .. V = V] + V2 + V3 + ....…......+Vn

সিরিজ সার্কিটের মোট রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়

যদি দুই বা ততোধিক রেজিস্ট্যান্সকে সিরিজে সংযোগ দেওয়া হয়, তবে এদের ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্যান্সের মান এক সাথে যোগ করলেই মোট রেজিস্ট্যান্সের মান পাওয়া যাবে। R, R2 R1, R4 Rn রেজিস্টরগুলিকে সিরিজে সংযোগ করলে সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স

Rs = R] + R2 + R3+........ + Ra

সিরিজ সার্কিটের মোট কারেন্ট নির্ণয়

সিরিজ সার্কিটের কারেন্টের পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য প্রথমে মোট রেজিস্ট্যান্স নির্ণয় করতে হবে এবং সাপ্লাই ভোল্টেজকে মোট রেজিস্ট্যান্স দ্বারা ভাগ করলেই মোট কারেন্ট পাওয়া যাবে। মনে করি, মোট রেজিস্ট্যান্স Rq, এবং সাপ্লাই ভোল্টেজ Vi
মোট কারেন্ট I = = V, অ্যামস R₁

সিরিজ সার্কিটের বিভিন্ন অংশের ভোল্টেজ নির্ণয় সার্কিটে সংযোজিত রেজিস্ট্যান্সের স্ব স্ব পরিমাণের আনুপাতিক হারে সার্কিটে সরবরাহকৃত মোট ভোল্টেজ

সকল রেজিস্ট্যান্সের মানের অনুপাতে বিভক্ত হয়। সার্কিটের মোট কারেন্ট নির্ণয় করে প্রতিটি রেজিস্ট্যান্সের আড়াআড়িতে ভোল্টেজ নির্ণয় করতে হয়। সার্কিটে সংযুক্ত প্রতিটি রেজিস্ট্যান্সের মানকে এর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট দ্বারা গুণ করলে প্রতিটি রেজিস্ট্যান্সের আড়াআড়িতে ভোল্টেজ পাওয়া যায়।
R, R2, R, এর আড়াআড়িতে ভোল্টেজ যথাক্রমে V1 = RI; V2 = Rol ও V3 = RI.

Next Post
No Comment
Add Comment
comment url