সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং - এস্টিমেটিং কাকে বলে - abbreviation list
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং - এস্টিমেটিং কাকে বলে - abbreviation list
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং কছুইট পাইপ দেয়ালের উপর দিয়ে নিয়ে যে ওয়্যারিং করা হয়, তাকে সারফেস কছুইট ওয়্যারিং বলে। পরিবাহী তার/ক্যাবলকে যান্ত্রিক আঘাত থেকে রক্ষার জন্য এবং ওয়্যারিং দীর্ঘস্থায়ী ও সৌন্দর্য বাড়াতে সারফেস কন্তুইট ওয়্যারিং করা হয়। বাজারে বিভিন্ন সাইজের কড়ইট পাইপ পাওয়া যায়। কন্তুইটের ভিতর দিয়ে নিতে হবে এমন তারের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে কছুইটের সাইজ নির্বাচন করা হয়।মালামালের নাম
১/ পিয়ানো সুইচ, (২৫০ ভোল্ট, ৫. অ্যাম্পিয়ার)২/ টু-পিন সকেট, (২৫০ ভোল্ট, ৫ অ্যাম্পিয়ার)
৩/ পিতলের ব্রাকেট ও ব্রাকেট ল্যাম্প হোল্ডার, (২৫০ ভোল্ট, ৫ অ্যাম্পিয়ার পিতলের)
৪/ সিলিং রোজ, (২৫০ ভোল্ট, ৫ অ্যাম্পিয়ার)
৫/ সিলিং ফ্যান, ১৪০ সেমি. সুইচ রেগুলেটরসহ
৬/ কণ্ডুইট, ১৩ মি.মি.
৭/ কন্তুইট, ১৮ মি.মি.
৮/ কন্তুইট, ২৫ মি.মি.
৯/ কন্তুইট, ৩৮ মি.মি.
১০/ কন্তুইট, ৫০ মি.মি.
১১/ স্যাডল (বিভিন্ন সাইজে)
১২/ বেন্ড (বিভিন্ন সাইজের)
১৩/ সাধারণ বা সলিড টি
১৪/ সারকুলার বক্স (ওয়ান-ওয়ে, টু-ওয়ে, থ্রি-ওয়ে ইত্যাদি)
১৫/ কাপলার (বিভিন্ন সাইজের)
১৬/ রিডিউসার (বিভিন্ন সাইজের)
১৭/ পাইপ হুক
১৮/ ক্লিপ
১৯/ এম সি বি
২০/ সুইচ বোর্ড (২০ সে.মি.×১৫ সে.মি.
২১/ জয়েন্ট বক্স (৮০ মি.মি. x ৮০সে.মি.)
২২/ রাওয়াল প্লাগ ৬×২৫ মি.মি. (ছোট সাইজ) |
২৩/ রাওয়াল প্লাগ ৮×২৫ মি.মি. (বড় সাইজ)
২৪/ ২৫ মি.মি. সাইজ উড কু
২৫/ ৩৭.৫ মি.মি. সাইজ উড ক্রু
২৬/ ৫০ মি.মি. সাইজ উড ক্রু
২৭/সিঙ্গেল কোর পিভিসি তার ১.৫ মি.মি. (লাল ও কালো)
২৮/ ফিস ওয়্যার
২৯/ ১২ মি.মি. সাইজ ইনসুলেটিং টেপ
কণ্ডুইটের সাইজ নির্বাচন পদ্ধতি:
কণ্ডুইটের সাইজ বলতে এর ব্যাসকেই বোঝায়, যা নির্ধারণে কণ্ডুইটের মধ্যে দিয়ে টানা তারের সংখ্যা বিবেচনা করা হয়। কন্ডুইটের সাইজ নির্ধারণ পদ্ধতি দ্বাবিংশ অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে।স্যাডলের সাইজ ও সংখ্যা নির্ধারণ :
সারফেস কন্তুইট ওয়্যারিং করতে হলে বিল্ডিং-এর বহিঃপৃষ্ঠে কন্তুইটগুলো এমনভাবে শক্ত করে স্থাপন করতে হবে, যাতে বাইরের ছোটখানো আঘাত হতে রক্ষা পায় এবং ওয়্যারিং হেলে না যায় বা ঢিলে না হয়। অর্থাৎ কম্ভুইটকে উপযুক্ত স্যাডলের মাধ্যমে আটকাতে হবে। আর এ স্যাডল কন্ডুইটের সাইজ বা ব্যাস হিসেবে নিয়মমাফিক নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করতে হবে।স্যাডল এর সংখ্যা নির্ধারণের জন্য প্রথমে ওয়্যারিং-এর নকশা থেকে কোনো সাইজের পাইপ বা কভুইটেরন জন্য নির্দিষ্ট স্যাডেলের মাট দৈর্ঘ্য কত তা নির্ণয় করতে হবে। অতঃপর বিভিন্ন সাইজের কড়ুইটের দৈর্ঘ্য মিটারে কত হবে উক্ত সাইজের জন্য নির্দিষ্ট স্যাডেলের পরিমাণ হবে তার মিটার দৈর্ঘ্যের সংখ্যামানের ৩৩% বেশি। অর্থাৎ কোনো সাইজের কড়ুইট-এর দৈর্ঘ্য ২০ মিটার হলে উক্ত সাইজে এর সংখ্যা হবে ২০×১.৩৩=২৭টি। প্রতি দুটি স্যাডেলের মধ্যে দূরত্ব হবে ০.৭৫ মিটার। তবে পাইপের টেপিং বা ব্রাহ্ম-এর ক্ষেত্রে সংযোগ পয়েন্টের ০.২৫ থেকে ০.৩৫ মিটারের মধ্যে একটি করে স্যাডল ব্যবহার করতে হবে। এইভাবে স্যাডল-এর পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। বাজারে ভিন্ন ভিন্ন মাপের কড়ুইটের ভিন্ন ভিন্ন মাপের স্যাডল পাওয়া যায়। তাছাড়া আকৃতি বিবেচনায় চার ধরনের স্যাডল পাওয়া যায়। নিচের এগুলোর চিত্রসহ বর্ণনা দেয়া হলো। স্যাডলগুলো রাওয়াল প্লাগ এবং ক্রুর মাধ্যমে দেয়াল, মেঝে বা হাসে আটকানো হয়। ওয়্যারিংয়ের মোট দূরত্ব হিসাব করে স্যাডেলের সংখ্যা বের করা হয়। হিসাব শেষে প্রয়োজন অপেক্ষা ২০% বেশি নিতে হবে।
(ক) স্ট্রাপ স্যাডেল যেখানে কন্তুইট স্থাপনের জন্য দেয়াল থেকে কোনো দুরত্ব রাখার প্রয়োজন হয় না সেখানে স্ট্রাপ স্যাডল ব্যবহার করা হয়। কভুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের স্ট্র্যাপ স্যাডল পাওয়া যায়।
(খ) স্পেসার বার স্যাডল। যেখানে কন্তুইট স্থাপনের জন্য দেয়াল বা ছাদের বহিঃপৃষ্ঠ থেকে সামান্য স্পেস বা ফাঁক রাখার প্রয়োজন হয় সেখানে স্পেসার বার স্যাডল ব্যবহার করা হয়। এতে স্পেসার হিসেবে ৩ মি.মি. পুরু একটি বার ব্যবহার করা হয়। বন্ধুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের স্পেসার বার স্যাডল পাওয়া যায়।
(গ) ডিস্ট্যান্স স্যাডল: যেখানে কম্ভুইট স্থাপনের জন্য দেয়ালে বা হাদের বহিঃপৃষ্ঠে থেকে এক সেন্টিমিটারের মতো স্পেস বা ফাঁক রাখার প্রয়োজন হয় সেখানে ডিস্ট্যান্স স্যাডল ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের স্যাডল সাধারণত ঢালাই লোহার তৈরি হয়। কন্ডুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের ডিস্ট্যান্স স্যাডল পাওয়া যায়।
(ঘ) মাল্টি স্যাডল: যেখানে একাধিক কন্তুইট সমান্তরালে স্থাপনের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে দেয়াল বা ছাদের বহিঃপৃষ্ঠ সারফেস কছুইট ওয়্যারিং-এর কাজে মাল্টি স্যাল ব্যবহার করা হয়। কন্তুইটের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের ও বিভিন্ন সংখ্যক কন্তুইট স্থাপনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ধরনের মাল্টি স্যাডল পাওয়া যায়, যা নিচের চিত্রে দেখানো হয়েছে।
সারফেস কন্ডুইটের ব্যবহার :
সারফেস কহুইট ওয়্যারিং স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা, নিরাপত্তা ইত্যাদি কারণে যে সমস্ত জায়গায় সারফেস কভুইট ওয়্যারিং ব্যবহার করা হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো।১. ওয়ার্কশপ ও কলকারখানায়।
২. সিনেমা হলো, অডিটোরিয়াম, কনফারেন্স হলে।
৩. স্যাঁতসেঁতে স্থানে।
৪. রাসায়নিক দ্রব্য প্রক্রিয়াজাত বা উৎপাদন কারখানায়।
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং - এস্টিমেটিং কাকে বলে - abbreviation list
বৈদ্যুতিক প্রাক্কলন (এস্টিমেটিং):
কোনো বৈদ্যুতিক ইনস্টলেশনের কাজ নিয়ম অনুযায়ী করতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদির পূর্ণ বিবরণ, পরিমাণ, কাজের সময়, ধরন উল্লেখসহ মোট খরচের হিসাব নিকাশ করার প্রক্রিয়াকে বৈদ্যুতিক প্রাক্কলন বলে। বৈদ্যুতিক প্রাক্কলনে সকল কাজের মোট ব্যয়ের হিসাব থাকে। কোনো প্রস্তাবিত বৈদ্যুতিক স্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের অগ্রিম হিসাব নির্ণয় করার প্রক্রিয়াকে বৈদ্যুতিক প্রাক্কলন বলে। এতে মালামালের খরচ, লেবার খরচ, সুপারভিশন খরচ এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ ইত্যাদি উল্লেখ থাকেবৈদ্যুতিক লোড-এর হিসাবঃ
বৈদ্যুতিক স্থাপনার প্রাক্কলন তৈরিতে প্রাথমিক কাজ বৈদ্যুতিক লোড হিসাবে করা। অর্থাৎ কোনো স্থাপনায় যে সমস্ত লোড থাকবে বা সংযুক্ত করা হবে, সেগুলোর সঠিক হিসাব করা। লোডের সংখ্যা ও পরিমাণের উপর নির্ভর করে সাব সার্কিটের সংখ্যা, সরঞ্জামাদির ক্ষমতা, তারের সাইজ নির্ধারণ করা হয়।লোড কারেন্ট নির্ণয়ের হিসাব পদ্ধতি :
লোড ও সার্কিট সংখ্যা বিভিন্ন ফিটিংস ও ফিক্সিং-এর জন্য লোড হিসাবের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন-এর বিধি অনুযায়ী যেভাবে সাব-সার্কিট সংখ্যা হিসাব করা হয়, তা নিম্নরূপ১. প্রতিটি ঘরে একটি সাব-সার্কিট।
২. কম লোডের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০টি লোডের জন্য একটি সাব-সার্কিট।
৩. ৫০০ ওয়াট থেকে ৮০০ ওয়াট লোডের জন্য একটি সাব-সার্কিট।
৪. একটি সাব-সার্কিটের লোড ১০০০ (VA) হতে ১২০০ (VA) পর্যন্ত হতে পারে।
লোডের ওয়াট হিসাব
লোডের বিবরণ -ওয়াট রেটিং
ইনক্যান্ডিসেন্ট ল্যাম্প - ১০০
ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্প
(ক) ৬০০ মিমি দৈর্ঘ্যের (ছোট) - ২০
(খ) ১২০০ মি.মি দৈর্ঘ্যের (বড়) - ৪০
সিলিং ফ্যান এবং টেবিল ফ্যান - ৮০
এগজস্ট এবং প্যাডেস্ট্যাল ফ্যান - ৯০
৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট - ১০০
১৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট - ১০০০
অন্য পোষ্ট : ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam
লোড কারেন্ট অনুসারে মেইন সুইচ, ফিউজ/সার্কিট ব্রেকার ও তারের সাইজ নির্ণয় :
মেইন সুইচ এর ক্যাপাসিটি নির্ধারণে লোড কারেন্ট এর ১.৫ গুণ হিসাব করা হয়। সেই অনুসারে মেইন সুইচের ক্ষমতা, ১০X১.৫=১৫ অ্যাম্পিয়ার। অতএব, মেইন সুইচের সাইজ ১৫ অ্যাম্পিয়ার, ২৫০ ভোল্ট সিঙ্গেল ফেজ ডাবল পোল। তবে পাওয়ার সার্কিটের জন্য আলাদা সার্কিট ব্রেকার সংযোগ করতে হবে।ফিউজ বা সার্কিট ব্রেকারের সাইজ ১৫ অ্যাম্পিয়ার। তারের সাইজ টেবিল অনুযায়ী ১×৭/০.৩৬´ বা ১×৭/২০ পিডিসি। এভাবে লোড হিসাব করে মেইন সুইচ, ফিউজ ও তারের সাইজ নির্ধারণ করা হয়।
সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং - এস্টিমেটিং কাকে বলে - abbreviation list
একটি তিন কক্ষ বিশিষ্ট একতলা বাসভবনের বৈদ্যুতিক লে-আউট:
একটি তিন প্রধান কক্ষ বিশিষ্ট একতলা বাসবভনের বৈদ্যুতিক লে-আউট চিত্র ২৭.১ দেখানো হলো।কোনো বাড়ির বৈদ্যুতিক লে-আউট করার সময় প্রথমে বাড়ির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং লে-আউট অঙ্কন করে এর মধ্যে আউটলেটসমূহ চিহ্নিত করতে হবে। অতঃপর মিটার, মেইন সুইচ, ডিবি রোর্ড ইত্যাদির অবস্থান দেখাতে হবে। পরিশেষে এদের পারস্পরিক সংযোগ দেখাতে হবে এবং তাদের সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে।
ওয়্যারিং লে-আউট ও ব্লু-প্রিন্ট
ইলেকট্রিক্যাল কাজে ব্যবহৃত প্রতীকগুলো ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে কাজের লে-আউট সঠিক ও সুন্দর হওয়া আবশ্যক। এ লে-আউট করার সময় ওয়্যারিং কীভাবে হবে, কোথায় কী সরঞ্জাম বসাতে হবে, সে বিষয়ে ইলেকট্রিক্যাল কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল টেকনিশিয়ান সুপারভাইজার এবং প্রকৌশলীগণের নিচের তালিকায় প্রদত্ত প্রতীকসমূহ জানা আবশ্যক। বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং মূল-এর নকশা তৈরি করতে বিভিন্ন সরঞ্জামের অবস্থান দেখানোর জন্য যে প্রতীকসমূহ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর মধ্যে কিছু উল্লেখ করা হলো।প্রতীকের নাম
১/ ওয়ান-ওয়ে সিঙ্গেল পোল২/ ওয়ান ওয়ে টু গোল
৩/ ট-ভয়ে সিঙ্গেল পোশ
৪/ ইন্টারমিডিয়েট
৫/ পুশ বাটন সুইচ
৬/ বাতি
৭/ ক্লোরোসেন্ট বাতি
৮/ মেইন কিউঞ্জ বোর্ড (সুইচ ব্যতিরেকে), লাইটিং
৯/ মেইন ফিউজ বোর্ড সুেইচসহ), লাইটিং
১০/ মেইন ফিউজ বোর্ড (সুইচসহ), পাওয়ার
১১/ মেইন কিউঞ্জ বোর্ড (সুইচ ছাড়া), পাওয়ার
১২/ ডিস্ট্রিবিউশন ফিউজ বোর্ড (সুইচ ব্যতিরেকে), লাইটিং
১৩/ ডিস্ট্রিবিউশন ফিউজ বোর্ড (সুইচসহ), লাইটিং
১৪/ ডিস্ট্রিবিউশন ফিউজ বোর্ড (সুইচ ছাড়া), পাওয়ার
১৫/ ডিস্ট্রিবিউশন ফিউজ বোর্ড (সুইচসহ) পাওয়ার
১৬/ সিঙ্গেল সফেট আউটলেট
১৭/ ডবল সকেট আউটলেট
১৮/ সিলিং ফ্যান
১৯/ এগজস্ট ফ্যান
২০/ ব্র্যাকেট ফ্যান
২১/ ফ্যান রেগুলেটর
২২/ মেইন সুইচ (লাইটিং)
২৩/ মেইন সুইচ (পাওয়ার)
২৪/ ইলেকট্রিক কলিং বেল
২৫/ রিলে
২৬/ ৩-পিন ৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট
২৭/ ৩-পিন ৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট (সুইচসহ)
২৮/ ২-দিন ১৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট
২৯/ ৩-পিন ১৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট
৩০/ ২-দিন ১৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট (সুইচসহ)
৩১/ ৩-পিন ১৫ অ্যাম্পিয়ার সকেট আউটলেট (সুইচসহ)
৩২/ হাউন্স কানেকশন বক্স
৩৩/ ইলেকট্রিক মিটার
৩৪/ থ্রি-ফো ইলেকট্রিক মোটর
৩৫/ রেফ্রিজারেটর আউটলেট
৩৬/ বেল পুশ
৩৭/ ফায়ার এলার্ম ইন্ডিকেটর
৩৮/ পাওয়ার সুইচ
ইলেকট্রিক্যাল কাজে সচরাচর ব্যবহৃত অভিব্যক্তিগুলো বৈদ্যুতিক কাজের ডিজাইন ইত্যাদি কাজের সময় সকল ফিটিং-ফিক্সিং এবং বৈদ্যুতিক টার্ম ও শর্তসমূহের নাম সম্পূর্ণ নকশা প্রণয়ন, এস্টিমেটিং লিখা বা প্রকাশ করা হয় না। কোনো টার্ম, শব্দ, শব্দগুচ্ছ কিংবা নামের এরূপ সংক্ষিপ্ত রূপসমূহের অভিব্যক্তিগুলো
(Abbreviation) নিচে প্রদান করা হলো।
১/ অল অ্যালুমিনিয়াম কন্ডাকটর
২/ হার্ড ড্রন কপার কন্ডাকটর
৩/ অ্যালুমিনিয়াম কন্ডাকটর স্টিল রিইনফোর্সড
৪/ ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড
৫/ আমেরিকান ওয়্যার গেজ
৬/ ষ্ট্যান্ডার্ড ওয়্যার গেজ
৭/ সার্কিট ব্রেকার
৮/ মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার
৯/ মোল্ডেড কেস সার্কিট ব্রেকার
১০/ কারেন্ট ট্রান্সফরমার
১১/ পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার
১২/ সাব-ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড
১৩/ মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড
১৪/ অয়েল সার্কিট ব্রেকার
১৫/ অয়েল সার্কিট রিক্লোজার
১৬/ লি-ভিনাইল ক্লোরাইড
১৭/ ভলকাইনাজড্ ইন্ডিয়ান রাবার
১৮/ এক্সটা হাই ভোল্টেজ
১৯/ হাই র্যাপচারিং ক্যাপাসিটি
২০/ হাই ভোল্টেজ অ্যাম্পিয়ার
২১/ কিলোওয়াট
২২/ কিলো ভোল্ট অ্যাম্পিয়ার
২৩/ মেগা ভোল্ট অ্যাম্পিয়ার
২৪/ মেগাওয়াট
২৫/ কিলোওয়াট আওয়ার
২৬/ বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড
২৭/ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড
২৮/ পল্লী বিদ্যুৎ সমিটি
২৯/ নিউট্রাল
৩০/ নরমালি ক্লোজ
৩১/ নরমালি ওপেন
৩২/ সিঙ্গেল পোল ডবল থ্রো
৩৩/ সিঙ্গেল পোল ডবল থ্রো
৩৪/ ডবল পোল ডবল থ্রো
৩৫/ ডবল পোল আয়রন ক্ল্যাড
ওয়্যারিং লে-আউট বৈদ্যুতিক স্থাপনার কাজ সহজে, অল্প খরচে, কম সময়ে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য ওয়্যারিং-এর প্রতীক ব্যবহার করে যে নক্শা তৈরি করা হয়, তাকে ওয়্যারিং লে-আউট করা হয়। ওয়্যারিং লে-আউটকে অনুসরণ করেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি বসানো হয়, তার টানা হয় এবং লোেড সংযুক্ত করা হয় এটি থেকে বিশেষ ধরনের কাগজে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে একাধিক কপি তৈরি করা হয় যা বু প্রিন্ট নামে পরিচিতি।
ওয়্যারিং লে-আউট-এর প্রয়োজনীয়তা :
বৈদ্যুতিক ইনস্টলেশনের সঠিক বাস্তবায়নের জন্য ওয়্যারিং লে আউট খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইঞ্জিনিয়ার ও ইলেকট্রিশিয়ানগন ওয়্যারিং কাজ লে-আউট দেখেই করে থাকেন। ওয়্যারিং লে-আউটের মাধ্যমে ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশনের কাজ যথাসময়ে, সহজে, অল্প খরচে এবং সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়। ওয়্যারিং লে-আউটে কোনো বাড়িতে ইলেকট্রিক্যাল সরঞ্জামাদিসমূহ এবং এদের অবস্থান দেখানো হয় সেই অনুযায়ী সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে ইলেকট্রিশিয়ানগণ ওয়্যারিং কাজ স্পন্ন করে থাকেন। সুতরাং লে আউট না করে যেমন কাজটি সুষ্ঠুভাবে করা যাবে না, তেমনই লে-আউট ছাড়া সঠিক প্রাক্কলন তৈরি করা সম্ভব নয়।অন্যদিকে লে-আউট না থাকলে ভবিষ্যতে ওয়্যারিং এ কোথাও কখনও কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা শনাক্ত করতে সম্যসা হয়। তাই ওয়্যারিং কাজের প্রাক্কলন তৈরি করা, নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ওয়্যারিং কাজ সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতে রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার জন্য ওয়্যারিং-এর লে-আউট-এর গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
