ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam
ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

ওয়্যারিং টেস্টিং :

বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং-এর কাজ শেষ হলে, ওয়্যারিং ত্রুটিবিহীন এবং নিরাপদ হয়েছে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে পরীক্ষা বা পরীক্ষাসমূহ করা হয়, তাকেই ওয়্যারিং টেস্টিং বলে। কোনো ওয়্যারিং কাজ সঠিকভাবে নিয়মে নির্দিষ্ট লে-আউট অনুযায়ী ত্রুটিবিহীনভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই মর্মে নিশ্চিত হতে হলে তা অবশ্যই পরীক্ষা করে দেখতে হবে। সাধারণত কোনো ওয়্যারিং কাজ শেষ করার পর একে দুটি ধাপে পরীক্ষা করার প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হয়।

সকল কিছু সরেজমিনে দেখে বা পরিদর্শন করে প্রথম ধাপ সম্পন্ন করা হয়, যা সাধারণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে করা হয় । টেস্ট ল্যাম্প, মেগার, নিয়ন টেস্টার দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে ওয়্যারিং টেস্ট করা হয় ।

ওয়্যারিং টেস্টিং করার প্রয়োজনীয়তা:

ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন, ইনস্টেলেশনের অংশে কাজ করার সময় বা কাজ শেষ হলে স্থায়ীভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে পরিবাহীর কন্টিনিউয়িটি, ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স, সুইচের পোলরিটি, আর্থিং সঠিক হয়েছে কিনা, ওয়্যারিং এ শর্ট আছে কিনা ইত্যাদি যথাযথভাবে পরীক্ষা করার জন্য এবং নিরাপদে বিদ্যুৎ সররবাহ দেয়া যাবে কিনা নিশ্চিত হতে ওয়্যারিং টেস্টিং করা হয়। ওয়্যারিং টেস্ট না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটরে পারে এবং সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতি পুড়ে যেতে পারে। তাই ওয়্যারিং টেস্ট করার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

ওয়্যারিং কাজ শেষ হলে যে টেস্টগুলো করা হয়
১. পরিবাহীর কন্টিনিউয়িটি টেস্ট,
২. সুইচের পোলারিটি টেস্ট
৩. পরিবাহীর ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট
৪. আর্থ টেস্ট বা আর্থিং টেস্ট।


ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

বৈদ্যুতিক টেস্টিং এ টেস্ট ল্যাম্বের গুরুত্ব :

একজন ইলেকট্রিশিয়ানের জন্য টেস্ট ল্যাম্প একটি অতি প্রয়োজনীয় ও সহজলভ্য সরঞ্জাম।
নিম্নলিখিত কাজগুলি করতে টেস্ট ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়।
১। কোনো লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে কিনা তা জানার জন্য ।
২। সাপ্লাই ভোল্টেজ পরিমিত আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য।
৩। কোনো যন্ত্রপাতিতে বড়ি বা আর্থ ফল্ট হলে তা পরীক্ষা করে জানার জন্য ।
৪। আলাদা আর্থিং-এর ব্যবস্থা থাকলে টেস্ট বাতি দিয়ে সাপ্লাইয়ের ফেজ ও নিউট্রাল লাইন শনাক্ত করার জন্য ৫। সাপ্লইয়ের তারের নিরবচ্ছিন্নতা, সুইচের পোলারিটি টেস্ট করার জন্য।
৬ । যে কোনো মেশিনের কয়েলের শর্ট সার্কিট, আর্থ ফল্ট এবং ওপেন সার্কিট ত্রুটি পরীক্ষা করার জন্য। উল্লেখিত বর্ণনা থেকে টেস্ট ল্যাম্পের গুরুত্ব অনুধাবণ বরা যায় ।

অন্য পোষ্ট : সেল ও ব্যাটারির পরিচিতি - ব্যাটারি - সেল কাকে বলে - ড্রাই সেল কাকে বলে

ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরীক্ষার পদ্ধতি:

কোনো ওয়্যারিং-এর কাজ শেষে
(ক) দুইটি পরিবাহী তার বা ফেজ ও নিউট্রালের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স এবং
(খ) পরিবাহী তার ও আর্থের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিষ্ট্যান্স পরিমাপ করা হয়।

দুইটি পরিবাহী তার বা ফেজ ও নিউট্রালের মধ্যে ইনসুলেশন পরীক্ষা করার পদ্ধতি :

মেগারের সাহায্যে ফেজ ও নিউট্রালের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হলো।
১। মেইন সুইচ খোলা থাকবে কিন্তু অন্যান্য ফিউজ সঠিকভাবে লাগান থাকবে।
২। ব্যবহৃত ডিভাইস বা লোডসমূহ খোলা থাকবে অর্থাৎ হোল্ডার হতে সকল বাতিগুলো খুলে ফলতে হবে এবং যে সমস্ত হোল্ডারে শর্ট সংযোগ আছে তাদের খুলে ফেলতে হবে। পাখা থাকলে তার সংযোগও খুলে ফেলতে হবে।
পরিবাহী তার ও আর্থের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্ট পদ্ধতি: পরিবাহী মার ও আর্থের মধ্যে ইনসুলেশন টেস্ট করার জন্য নিম্নলিখিত কাজগুলি ধারাবাহিকভাবে করতে হবে -
১। মেইন সুইচ অফ করে তার ফিউজ খুলে নিতে হবে।
২। বাকি সমস্ত সুইচ অন থাকবে।
৩। সমস্ত লোডগুলি লাগানো থাকবে।
৪। মেইন সুইচে ফেজ ও নিউট্রালকে পয়েন্ট শর্ট করতে হবে।
৫। শর্ট প্রান্তে মেগার এর L পয়েন্ট এবং আর্দ্র এর সাথে মেগারের E পয়েন্ট সংযোগ করতে হবে। ৬। মেগার এর হাতল ঘুরালে পয়েন্টার যা নির্দেশ করবে তাই আর্থ ও পরিবাহীর মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স । যদি মেগারের পয়েন্টার শূন্য (0) নির্দেশ করে তবে বুঝতে হবে কন্ডাক্টর ও আর্থ এর মধ্যে শর্ট সার্কিট হয়েছে।

ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

সুইচের পোলারিটি পরীক্ষা :

বৈদ্যুতিক বিধি মোতাবেক ওয়্যারিং-এ ব্যহৃত সুইচ ও ফিউজসমূহ শুধুমাত্র সরবরাহ লাইনের ফেজ তারের সাথে সংযোগ দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সুইচ ও ফিউজসমূহ নিউট্রাল ভারের সাথে সংযুক্ত করা যাবে না। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সুইচ ও ফিউজসমূহ শুধুমাত্র সরবরাহ লাইনের ফেজ তারের সাথে সংযুক্ত থাকবে এবং তা নিশ্চিত করতে হবে। ওয়্যারিং সম্পূর্ণ করা পর এতে ব্যবহৃত সকল সুইচ এবং ফিউজ-এর ফেজে সংযোগ হলো কিনা, টেস্ট-এর মাধ্যমে তা নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণত দুভাবে সুইচের পোলারিটি টেস্ট করা যায়।

বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে এমন ওয়্যারিং-এর সুইচসমূহের পোলারিটি পরীক্ষা নিয়ন টেস্টারের মাধ্যমে বা টেস্ট ল্যাম্পের সাহায্যে করা যায় এবং সরবরাহ লাইনে সংযোগ দেয়া হয়নি এমন ওয়্যারিং-এ ব্যবহৃত সুইচসমূহের পোলারিটি মেগারের সাহায্যে টেস্ট করা যায় ।

ক) নিয়ন টেস্টারের মাধ্যমে পরীক্ষা :

এ পদ্ধতিতে সবচেয়ে সহজে এবং দ্রুত সুইচের পোলারিটি টেস্ট করা যায়। এই পদ্ধতিতে সুইচের আওতায় ত্রুটিমুক্ত লোড সংযুক্ত থাকলে সুইচটিকে অঙ্ক করে সুইচের যে প্রান্তে বা পয়েন্টে সরবরাহ লাইনের সংযোগ আছে সেখানে নিয়ন টেস্টারের অগ্রভাগ স্পর্শ করিয়ে টেস্টারের অপর প্রান্তের নির্দিষ্ট স্থানে বৃদ্ধাঙ্গুলি স্পর্শ (আর্থ) করলে যদি টেস্টারের নিয়ন ল্যাম্পটি জ্বলে তবে বুঝতে হবে সুইচের পোলারিটি সঠিক আছে। তবে এই ক্ষেত্রে ত্রুটি থাকার আশঙ্কা থাকে, তাই পরীক্ষা শেষে লোডসমূহ খুলে রেখে পুনরায় পরীক্ষা করলে যদি দেখা যায় এবারও টেস্টার জ্বলছে তবেই নিশ্চিত হওয়া যাবে যে সুইচের পোলারিটি ঠিক আছে।

অন্য পোষ্ট : আইপিএস - ইউপিএস - ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার - কুকার - শর্ট সার্কিট কি

(খ) টেস্ট ল্যাম্পের সাহায্যে পরীক্ষা:

বিদ্যুৎ সরবরাহ দিয়ে সহজেই এ টেস্ট করা যায়। টেস্ট ল্যাম্পের এক প্রান্ত আর্থের সাথে এবং অন্য প্রাপ্ত সুইচ অন করে সুইচের যে কোনো প্রান্তে স্পর্শ করতে হবে। অবশ্যই মেইন সুইচ ও সার্কিট ব্রেকার অন অবস্থায় রেখে সমস্ত লোড খুলে ফেলতে হবে। এতে যদি টেস্ট ল্যাম্প জ্বলে উঠে, তবে বুঝতে হবে পোলারিটি ঠিক আছে। অর্থাৎ সুইচে লাইভ লাইন বা ফেজ তারে সংযোগ আছে। আর বাড়ি না জ্বললে বুঝতে হবে পোলারিটি ঠিক নেই অর্থাৎ সুইচ নিউট্রাল লাগানো আছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলে Continuity Tester বা Avo meter অথবা ইনসুলেশন টেস্টিং মেগার ব্যবহার করা হয়।

ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

ওয়্যারিং-এর কন্টিনিউয়িটি পরীক্ষা :

কোনো ওয়্যারিং কাজ শেষ করার পর সরবরাহ প্রদানের পূর্বে উক্ত ওয়্যারিং-এর কন্ডিইনউটি বা নিরবচ্ছিন্নতা টেস্ট করতে হয়। ওয়্যারিং-এর নিরবচ্ছিন্নতা ঠিক না থাকলে ওয়্যারিং এর পয়েন্টসমূহে সংযুক্ত লোডগুলো কাজ করবে না। তাই ওয়্যারিং কাজ শেষ করার পর এর কন্টিনিউরিটি বা নিরবচ্ছিন্নতা পরীক্ষা করা আবশ্যক। ওয়্যারিং-এর কন্টিনিউয়িটি বা নিরবচ্ছিন্নতা পরীক্ষা করার জন্য নিচের ধাপ সমূহ অনুসরণ করতে হয়। ইনমেন্ট হিসাবে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স টেস্টিং মেগার/ওহমমিটার/কন্টিনিউরিটি টেস্টার ব্যবহার করতে হবে।

১। ওয়্যারিং-এ ব্যবহৃত মেইন সুইচ 'অফ' করে তার ফিউজ খুলে নিয়ে সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। ২। বাতি এবং পাখাসহ সকল লোড নির্দিষ্ট হোল্ডারে কিংবা টার্মিনালে লাগিয়ে রাখতে হবে, অথবা সকল পয়েন্টের টার্মিনালসমূহ শর্ট করে রাখতে হবে।
৩। ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ডের সকল সার্কিট ব্রেকার 'অন' করে রাখতে হবে, কিংবা ফিউজ থাকলে এগুলো লাগিয়ে রাখতে হবে।
৪। সকল লোডের সুইচসমূহ ‘অফ করে রাখতে হবে।

মিটার সংযুক্ত করে একটি সুইচ 'অন' করে ইন্সট্রুমেন্টটির পাঠ নিতে হবে। এবার সুইচটি অফ করে অপর একটি সুইচ ‘অন’ করে আবার পাঠ নিতে হবে। এভাবে সমস্ত ওয়্যারিং-এর সবগুলো সার্কিট পরীক্ষা করতে হবে। যে সুইচটি 'অন' করলে ইন্সট্রুমেন্টের রিডিং প্রায় শূন্য (০) হবে সেই সুইচের আওতাভুক্ত সার্কিটটির কন্টিনিউয়িটি ঠিক আছে।
অপরদিকে যে সুইচটি 'অন' অবস্থায় ইন্সট্রুমেন্ট শূন্য অপেক্ষা বেশি যে কোনো পাঠ দেয় সেই সুইচের আওতাভুক্ত সার্কিটটির কন্টিনিউয়িটি বা নিরবচ্ছিন্ন ঠিক নেই। কোনো সুইচের আওতাভুক্ত সার্কিটটির কন্টিনিউয়িটি ঠিক না থাকলে তা ত্রুটিযুক্ত করে কন্টিনিউয়িটি ঠিক করে দিতে হবে ।

আর্থ কন্টিনিউয়িটি পরীক্ষা করার পদ্ধতি :

যদি আর্থ তারের নিরবচ্ছিন্নতা বা কন্টিনিউয়িটি ঠিক না থাকে তবে, ব্যবহারকারী যে কোনো সময় দুর্ঘটনায় পড়তে পারে। তাই আর্থ তারের নিরবচ্ছিন্নতা বা কন্টিনিউয়িটি ঠিক আছে কিনা তা জানার জন্য আর্থ কন্টিনিউয়িটি পরীক্ষা করতে হয়। এক্ষেত্রে কন্টিনিউয়িটি টেস্টারের একটি টার্মিনাল বাড়ির প্রধান আর্থিং এর সাথে এবং অপর টার্মিনালটির সাথে লম্বা ইনসুলেটেড তার লাগিয়ে উক্ত তারের অপর প্রান্ত এক এক করে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ধাতব বডি বা অংশের সাথে স্পর্শ করাতে হবে। যে সরঞ্জামের ধাতব অংশ স্পর্শ করলে ইন্সট্রুমেন্টের রিডিং শূন্য (০) হয় সেই সরঞ্জামের অর্থ কন্টিনিউয়িটি ঠিক আছে। অপরদিকে যে সকল সরঞ্জামের বডি স্পর্শ করার পর ইন্সট্রুমেন্ট শূন্য অপেক্ষা বেশি যে কোনো পাঠ দেয় সেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের আর্থ কন্টিনিউয়িটি ঠিক নেই। কন্টিনিউয়িটি ঠিক না থাকলে তা ত্রুটিমুক্ত করে কন্টিনিউয়িটি ঠিক করে দিতে হবে। এভাবেই কোনো ওয়্যারিং-এর আর্থ কন্টিনিউয়িটি পরীক্ষা করতে হবে ২৯.৮। আর্থ রেজিস্ট্যাল পরীক্ষা করার পদ্ধতি : আর্শ্ব রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ পদ্ধতি ষড়বিংশ অধ্যায়ে ২৬.৬ তে আলোচনা করা হয়েছে।


ওয়্যারিং টেস্টিং - fixed wiring testing - ইনসুলেশন কি - insulation foam

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিম্নতম ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স হিসাব :

আইইই (Institution of Electrical Engineers) রেগুলেশন অনুযায়ী নিম্নতম গ্রহণযোগ্য নিম্নতম ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স নিম্নারূপ
(১) আর্থ করা কনসেনট্রিক ওয়্যারিং ব্যতীত অন্য ওয়্যারিং-এর ক্ষেত্রে সকল ফিউজ লাগানো, সকল সুইচ অন,সকল ফেজ কন্ডাক্টর একত্রে হুড়ানো অবস্থায় পরিমাপ করা হলে, ফেজ ও অর্থের মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স ১ মেগা ওহমের কম হবে না।
(২) সকল কন্ডাক্টর একত্রে জড়ানো অবস্থায় পালাক্রমে প্রতিটি কন্ডাক্টরের মধ্যে পরিমাপ করা হলে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স ১ মেগাওহমের কম হবে না।
(৩) যখন কোনো ওয়্যারিং-এর লোডসমূহ খোলা থাকে তখন প্রতিটি পরিবাহী এর আবরণ বা কাঠামো এবং প্রতিটি বৈদ্যুতিক অংশের মধ্যে ইনসুলেশন আলাদা আলাদা করে পরিমাপ করা হলে এদের ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স ০.৫ মেগাওহমের কম হবে না।
প্রচলিত রেগুলেশন অনুযায়ী সর্বনিম্ন ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্সের মান নিম্নে বর্ণিত পদ্ধতিতে হিসাব করা যায়
ক) পয়েন্ট পদ্ধতি,
খ) লিকেজ কারেন্ট ও সিস্টেম ভোল্টেজ ভিত্তিক পদ্ধতি।
পয়েন্ট পদ্ধতি:
এই পদ্ধতি অনুসারে ওয়্যারিং এ মোট কতটি পয়েন্ট বা আউটলেট রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে ইনসুলেশন রেজিষ্ট্যান্স বের করা হয়। যেমন- কোনো ওয়্যারিং এ মোট ২০টি পয়েন্ট বা আউটলেট থাকলে এই ওয়্যারিং- এর জন্য গ্রহণযোগ্য সর্বনিম্ন ইনসুলেশন রেজিষ্ট্যান্স হবে -৫০মেগাওহম মোট আউটলেট সখ্যা
৫০ মগাওহম ২০
= ২.৫MQ
লিকেজ কারেন্ট ও সিস্টম ভোল্টেজ ভিত্তিক পদ্ধতি: লিকেজ কারেন্ট এবং সিস্টেম ভোল্টেজ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার বা ওয়্যারিং-এর ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ে সর্বোচ্চ লিকেজ কারেন্ট হবে ৫০০০ ভাগের ১ ভাগ। যেমন- কোনো ওয়্যারিং-এর সরবরাহ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট এবং সর্বোচ্চ কারেন্ট ১৫ অ্যাম্পিয়ার হয়, তবে উক্ত ব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ লিকেজ কারেন্ট = 15 x 1 = 0.003 আম্পিয়ার।
সুতরাং সর্বনিম্ন ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স = 230 0.003 = 76666.66 ওহম = ০.৭৬৬ মেগা ওহম বা মেগা ওহম।
২৯.১০। বৈদ্যুতিক রেগুলেশন অনুযায়ী সর্বোচ্চ আর্থ রেজিষ্ট্যান্স প্রচলিত রেগুলেশন অনুযায়ী সর্বোচ্চ আর্থ রেজিস্ট্যান্স হবে
(ক) কোনো বাসা বাড়ির জন্য আর্থিং রেজিস্ট্যান্স ৫ ওহম এর নিচে হওয়া বাঞ্চনীয়।
(খ) পাহাড়ি এলাকার জন্য আর্থ রেজিস্ট্যান্সের মান সর্বোচ্চ ৫ হতে ৮ ওহম পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url